পুষ্টি তুষ্টির অন্য কথা

অনেকেরই শৈশবের মধুর স্মৃতি আছে– আমার নেই। মধুর শৈশব উপভোগ করা আমার কপালে জোটেনি। আমার ভয়ের আর দুঃখের অনেক স্মৃতির মধ্যে আছে –ছেলেবেলার রোগগুলো। যখনই কোন অসুখ বাঁধাতাম –সঙ্গে সঙ্গে জীবনীশক্তি অর্ধেকটা নষ্ট হয়ে যেত। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে হয়েও সে সময়গুলোতে কুসংস্কারের বিষাক্ত ছোবল থেকে আমার রোগাক্রান্ত শৈশব রেহাই পায়নি।

ছেলেবেলায় যে রোগগুলো হয় সেগুলো প্রায় সবগুলিই ভাইরাসের কারণে জ্বর।“ চিকিৎসা করলে সাত দিন না করলে এক সপ্তাহ’ , ভাইরাস জ্বর এমনিই চলে যায়। অথচ এখনো লাখ লাখ শিশু কিশোর এই সময়ে অপচিকিৎসা আর আর অপপরিচর্চার শিকার হয়। জ্বর হলে প্রথম আঘাত আসত খাবারের উপর। মোটকথা স্বাভাবিক সব খাবার বন্ধ। চলত সাগু আর বার্লি। বিস্বাদ অসহ্য প্রায় সব তরল খাবার। মুখের কাছে আনলেই বমি বমি লাগতো। এক সপ্তাহের জ্বর, সাগু-বার্লির বদৌলতে সারতে দুসপ্তাহ লাগত। শরীরের সমস্ত শক্তি নিঃশেষ হয়ে দুর্বল ক্ষীণকায় আমি আবার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্ঠা করতাম।

সাগু আর বার্লিতে এক ফোঁটাও পুষ্টি নেই। তবে যারা ওজন কমাতে চান, নিজেকে ক্ষীণতনু বানাতে চান, এই অ-খাদ্যগুলো চেখে দেখতে পারেন—ফল পাবেন।

যখনই আমি পুষ্টি  বিষয়ে এসব কথা বলতে গেছি  তখনই কোন দিগ্গজ প্রশ্ন করেছেন তবে কি রোগ নিরাময়ে পথ্যের কোন ভূমিকা নেই? না নেই, অন্তত মামুলী অসুখগুলোর ক্ষেত্রে। তাহলে মামুলী অসুখ নয় কোনগুলো? এটি কোন জটিল প্রশ্ন নয়। সেগুলিই মামুলী অসুখ যেগুলো এক মাসের মধ্যে চিকিৎসা দিলে অথবা না দিলেও সেরে যায়। এই এক মাসের বেশী হলেই; একজন নয় একাধিক বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হয় রোগ নির্নয় এবং নিরাময়ের জন্য। সেগুলো জটিল অসুখ। সংখ্যায় অত্যন্ত নগণ্য। মজার বিষয় হচ্ছে , মামুলী এবং জটিল অসুখের শুরুটা একই রকমের। সেজন্য রোগী পরিচর্চাকারীর কোন জটিলতা নেই। চোখ বন্ধ করে যেকোন রোগে স্বাভাবিক খাবার চালিয়ে যাবেন। যা খেতে ভাল লাগে রোগীকে তাই খেতে দিবেন। ভাত-মাছ-মাংস-পরাটা যাই হোক।

যে সমস্ত রোগীরা কেমোথেরাপী পায় তাঁরা ক্ষুধামন্দায় ভোগেন । কিছুই খেতে পারেন না। আমাকে রোগীরা বলতেন – ডাক্তার সাহেব কিছুই খেতে পারি না । খেতে ইচ্ছেই করে না। কিছুই না, আমি জিজ্ঞাসু হই। না ডাক্তার সাহেব পানিও না – রোগীর উত্তর। কোক, পেপসি, ফান্টা, মিরিন্ডা—কিছুই না! এবার আমার মুখে কৌতুক।

এগুলো খাওয়া যাবে, ঠান্ডা লাগবে না? রোগীর চোখে স্পষ্ট আগ্রহ।

আমি আশ্বস্ত করি। একটা খুব ঠান্ডা কোল্ড ড্রিঙ্কস এনে দিতে বলি। বোতলের গায়ে জমাট শিশিরের মত বিন্দু বিন্দু জল। পরম আগ্রহে পরিতৃপ্তির সাথে রোগী আকন্ঠ পান করে। আমি নিশ্চিত হই। কমপক্ষে সারাদিনের ক্যালোরি যতটুকু দরকার রোগী পেয়ে গেল। রোগীর আত্নীয় একজন রাগত দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকায়। ভাবখানা এমন আমাদের রোগীকে spoil করে দিচ্ছ তুমি। আমি থোড়াই কেয়ার করি। মনে মনে ঠিক করি পরদিন হাতে করে নিয়ে আসব কয়েকটা ঠান্ডা কোল্ড ড্রিঙ্কস, সঙ্গে নোনতা চিপস। রোগীর পাশে বসে ভাল করে খাব। আমার রোগীকে দ্রুতই উঠে দাঁড়াতে হবে।         




সঠিক ডোজ নিচ্ছেন তো?

প্যারাসিটামলের ডোজ জনেন তো ?  আমার এই নির্বোধের মতো প্রশ্নে ডাক্তার বন্ধু ভ্রু কুঁচকে তাকান। আমি আবারও বলি প্যারাসিটামল ট্যাবলেট কয়টা করে খাব? কেন ওখানে তো লিখেই দিয়েছি। একটা করে ভরা পেটে তিন বার। ডাক্তারী ভুলে গেলে? এবার তাঁর চেহারায় একটু বিরক্তি । বোধহয় মনে মনে কষে গাল মন্দ দেয়াও শুরু করেছে। বুঝতে পারি কথা বাড়িয়েও লাভ নেই। চলে আসি ভুল এক প্রেসক্রিপশনের ভুল ডোজে লেখা ওষুধ নিয়ে, আবারও ডাক্তারী শিখতে বসি।

বাসায় এসে প্রথমেই হাতে নেই ‘BRITISH NATIONAL FORMULARY’ সংক্ষেপে BNF।  স্পষ্ট করে লিখা বড়দের জন্য প্যারাসিটামলের ৫০০ মি.গ্রা এর দু’টো ট্যাবলেট। তবে আমার ডাক্তার বন্ধুটি কেন ৫০০ মিলি গ্রাম লিখলেন ? উনি কি আমাকে অপ্রাপ্তবয়ষ্ক ভেবে অর্ধেক ডোজ দিলেন? আবার আমার দুর্বল স্মরণশক্তির কথা মনে করিয়ে দিলেন! বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধের ডোজ নিয়ে একটা পুরো ভলিউম লিখে ফেলা যায়। যথেচ্ছ এবং ভুল ডোজে লেখা প্রেসক্রিপশন  দিয়ে প্রত্যেকদিন একেকটা পাহাড় তৈরী করা যায়। এটা কেন হয়? অধমের ধারণা মেডিকেল কলেজের থার্ড ইয়ারে পড়া ফার্মাকোলোজি। তাও অনেক থিওরীটিক্যালি। এর দু’বছর পরে মেডিসিন, যদিও মাঝখানের সময়টিতে পুরো দমেই চলে ওয়ার্ডে রোগী নিয়ে পড়ানো। তবে সে পড়ানো রোগ নির্নয়ের জন্য, চিকিৎসার নিদান খুঁজে নেয়ার জন্য নয়। ফল যা হবার তাই। শেষ পর্যন্ত ওষুধ কোম্পানির লিটারেচারেই ভরসা। লিটারেচারগুলোতে যে ভুল কথা লেখা থাকে তা নয়, তবে সেটুকুও পড়ার সময় কোথায় ?

যে কোন অসুখের কথাই ধরা হোক না কেন, রোগ নির্ণয়ে ডাক্তারের মুন্সিয়ানা থাকলেও ওষুধের ক্ষেত্রে এসে পপাৎ ধরনীতল। একটার জায়গায় আধখানা বা চারভাগের একভাগ, সকালেরটা রাত্রে, দুপুরেরটা সন্ধ্যায়, সেটা খাবারের আগে সেটা পরে, কলমের মাথায় যা খুশি আসলো লিখে দিলেই হলো।

আমার বাবাকে ডায়াবেটিসের জন্য একটা ওষুধের চারভাগের একভাগ দিনে চার বার করে দিয়েছেন। কপালগুনে এই ওষুধটি যে গবেষকদল আবিষ্কার করেছেন তাদের ক’জনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিলো প্যারিসে। ওষুধটির ডোজ দিনে দু’বার হচ্ছে সর্বনিম্ন ডোজ। ডাক্তার সাহবেকে সবিনয়ে জানালেই প্রথমে ক্ষুদ্ধ হলেন। নিজের পরিচয় দিয়ে এবং ডায়াবেটিস নিয়ে বিশেষত : ওষুধটি নিয়ে আমার সামান্য পড়াশোনা আছে জানাতেই বলে উঠলেন , আমরা তো এ ডোজেই রেজাল্ট পাচ্ছি। বইয়ে এসব কথা লেখাই থাকে। আমাদের দেশের লোকের Body weight, Metabolism এর উপর ভিত্তি করে …।। বক্তৃতা শুনতে ইচ্ছে হল না। কানের মধ্যে ঘুরে ঘুরে ‘রেজাল্ট পাচ্ছি’,  রেজাল্ট পাচ্ছি’ কথা বাঁজতে থাকলো । কী রেজাল্ট? কীসের রেজাল্ট ? রেজাল্ট পাচ্ছেটা কে? মেডিকেল কলজে ছাত্র অবস্থায় পেটে পেপটিক আলসার ধরা পড়ল, ডাক্তার সাহেব প্রেসক্রিপশন লিখে দিলেন–  Antacid Suspension.  খাবার পর পরেই দিনে  তিন চামচ করে তিনবার। পাঠক, বাক্যটি লক্ষ্য করুন –অর্থাৎ খাবার শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই Antacid Suspension গলনঃকরন করতে হবে। আমি শুরু করলাম তাই। Antacid  এক ধরনের ক্ষার জাতীর দ্রব্য যা পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিডকে প্রশমন করে। পাকস্থলীর এসিড নিঃসরণ একটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। এর ফলে খাবারের সঙ্গে জীবানু ধবংস হয়ে যায়।সে কারণে Antacid জাতীয় ওষুধ খাবারের অন্ততঃ আধ ঘন্টা পর পর  খেতে হয় , যেন পাকস্থলীতে নিঃসরিত এসিড জীবানু বিনাশের জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। আমার ডাক্তার সাহেব আধঘন্টা কথাটা  লিখতে ভুলে গিয়েছিলেন।  “রেজাল্ট পেলাম” আমি দুদিন পরে। ফুড পয়জনিং নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলাম।প্রফেসর সাহেব দেখতে এসে প্রেসক্রিপশন দেখে মহাখাপ্পা।আমাকে ধমকে বললেন, কয়েকদিন পর ডাক্তার হবে আর একটু লিফলেটটা পড়ে দেখবে না? ভুল তো মানুষই করে, যাচাই করে ওষুধ খাবে না!

আজকে তো যাচাই করতে গিয়েছিলাম। পেলাম বন্ধুর বিরক্তি। উত্তর দিতে অক্ষম চিকিৎসকের চমৎকার এ্যালিবাই “রেজাল্ট তো পাচ্ছি”।এতকিছুর পরেও বাসায় এসে বই খুলে সত্য মিথ্যা দেখার অবস্থা আমার আছে। জ্ঞানী চিকিৎসকদের সঙ্গে কিঞ্চিত তর্ক করার সাহসও আছে। কেননা দেশের চৌদ্দ কোটি মানুষের উদয়াস্ত পরিশ্রমের টাকায় সরকারি মেডিকেল কলেজে ছয় বছর পড়েছি। আমি না হয় আমারটা যাচাই করলাম, কিন্তু যাদের পয়সায় যাচাই করার শক্তি হলো তাদের কি হবে?

বাংলাদেশে ‘Uterus’  এ অপারেশন করতে গিয়ে আসমা নামের মেয়েটির কিডনি কেটে ফেলেন বিশেষজ্ঞরা। সেই ডাক্তার আজও পেট কাটেন। হাজারও আসমা পরম বিশ্বাসে মূল্যহীন শরীরটাকে মেলে দেয় অপারেশনের টেবিলে। সেই ডাক্তার ছুরি হাতে দাঁড়ান। ছাত্র ছাত্রী তাঁকে ঘিরে থাকে। চোখে স্বপ্ন আজ এক নতুন সার্জারী শিখবে। শিখেও ফেলে কিছু কিছু। শুধু একটা অতি গুরুত্বপূর্ন জিনিষ ছাড়া— “ভুল করলে ক্ষমা চাইতে হয় । ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়।” নইলে আসমারা যুগ যুগ ধরে “রেজাল্ট পেতে” থাকবে। যেই রেজাল্ট পাবার ইচ্ছে দুঃস্বপ্নেও কারো হয় না।




How to swallow tablets and capsules!!!

Both tablets and capsules (also called pills) are oral solid dosage forms. There are many ways people swallow pills. Some take a mouthful of water first and throw the tablets/capsules in the mouth and swallow. Some throw the pills in the mouth first, then sip some water and swallow. 

Research says that one in three persons had the difficulty of swallowing tablets with water or other drinks. I also have seen many people struggle to swallow a tablet or capsule with water. Some researchers of Heidelberg University of Germany have discovered the best way to to swallow tablets and capsules. According to the results of their study involving 151 adult volunteers, they have found that “Pill bottle” method is the best way to swallow a tablet. In this method the tablet should be placed on the tongue and a sip of water (around 20 ml/ 4 tea spoons) should be sucked from a bottle and swallow it quickly.

On the other hand, for capsules the “Lean Forward” was found to be the best. In this method, the capsule should be placed on the tongue first, then take a sip of water (around 20 ml/ 4 tea spoons) from a bottle or glass and then bent your head forward and swallow it. As the capsules have the tendency to float on water, many people cannot swallow them properly and sometimes it may got stuck on the throat.

11692716_10205854012923389_8374676012012729625_n

The article was published in last year in the Annals of Family Medicine. Here is the link for your further reading :http://annfammed.org/content/12/6/550.full

Learn to make life easy!!




Stages of New drug development

Development of a new prescription drug by an innovator company is a matter of huge investment. Currently it costs about 2.6 billion USD which is equivalent to more than 200 billion Bangladeshi Taka (1/15th of total budget of Bangladesh). Not only this huge money which is invested, it takes about 10-15 years to come to the market from its initial stage of development.

After a new potential compound is discovered or synthesized, it goes through pre-clinical investigations in test animals such as mice, rabbits, dogs etc. After confirming its safety in animals, it enters into clinical trial stages which occurs in four phases: Phase -1, 2, 3 which involves human volunteers and phase 4 in which drugs are monitored in the market after large production. The total process of a new drug development is a combined effort of drug discovery scientists, doctors, pharmacists, nurses, technicians, social workers and most importantly the human volunteers to receives the novel drugs inspite of potential risks.

11846776_951532474885415_990241365770000582_n

The top pharmaceutical companies which invest in new drug development (also called innovators) include Pfizer (USA), Novartis (Switzerland), Sanofi (France), Roche Holding (Switzerland), Merck and Co. (USA), GlaxoSmithKline (UK), AstraZeneca (UK), Eli Lilly & Co. (USA), Abbott Laboratories (USA) etc. (named according to their net market capitalisation, assets, sales and profit).

Due to the huge investments needed the large local pharmaceutical companies in our country such as Square, Beximco, Incepta etc. are not currently investing any money in drug development process. They only develops formulation, manufacture and sell pharmaceutical dosage forms. However, we hope in future they will also be able to invest in research and drug development.

 




Are the cough medicines waste of money?

Getting coughs and colds during winter is very common in adults and children during the winter. If you get colds with cough, you may want to go to doctor or pharmacy to get some antibiotics and cough suppressant that contains dextromethorphan. Antibiotics are useless in treating coughs as it is mainly caused by virus which the antibiotics cannot kill. So what about popular cough medicines such as dextromethorphan containing syrups?
Last year, the NHS of the UK declared that cough medicines are waste of money as the medical evidence behind them is very “weak”.Now, they recommend honey to treat coughs both in children and adults. There recommendation is based on a clinical trial done in the USA in treating nocturnal coughs in children. They found that honey is much better than dextromethorphan!!!
So, what should we prefer in Bangladesh- honey or cough medicines?

Honey is very cheap here in the UK. A 500 ml jar of pure honey will cost you 2 pounds only (240 Tk; 50 Tk/100ml) whereas a 100 mL dextromethorphan syrup costs more that 4.5 pound (500 Tk approx.). This is just the opposite in Bangladesh. You will get a 100 ml dextromethrorphan syrup with only 20-35 Tk, however, a 500 ml honey (purity cannot be assured) will cost you at least 300 Tk (approx 60Tk/100 ml). So, in terms of price, honey is costlier than cough syrup in our country. It’s really surprising!!

Now, what will you use to treat cough? I think still honey is preferable due to its safety.

Dextromethorphan is not recommended in children under 12 years of old in the UK as the pediatric dose for this drug has not been established properly. It may cause sever side effects in young adults that may lead to death.So, for children honey is the best and safest option. According to NHS, a mix of lemon and honey in hot water is the best to treat cough using home remedies.

But remember that don’t give honey to children less that one year old as there is a risk of botulism!!

Source: http://www.nhs.uk/news/2007/December/Pages/Honeysoothescoughs.aspx




অঙ্গ প্রতিস্থাপন : ওৎ পেতে আছে অসংখ্য পিশাচ

কলকাতা থেকে মুম্বাই আসছি। প্লেনে দিনের পত্রিকাগুলোয় চোখ বুলাচ্ছি। হঠাৎ একটা ক্যাপশনে চোখ আটকে গেল — KIDNEYS SOLD HERE অর্থ্যাৎ ‘এখানে কিডনি বিক্রি হয়’। একটা গ্রাম্য লোকের ছবি তলপেটে স্পষ্ট অপারেশনের দাগ, নীচে ক্যাপশন –– হুলাউ গ্রামের জয়ারামু ব্যাঙ্গালোরে রক্ত দান করতে গিয়েছিল, ঘুম ভেঙে দেখে হাসপাতালের ডাক্তাররা তাঁর একটা কিডনি কেটে নয়েছে। কি ভয়ানক!! আমার আশংকা অবশ্য অন্যখানে, সে প্রসঙ্গে পড়ে আসছি। ব্যাঙ্গালোরে কালোবাজারে মানুষের কিডনি কেনাবেচা এক জমজমাট ব্যবসা। দুটো কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া রোগীদের শেষ ভরসা ট্র্যান্সপ্লান্ট অর্থাৎ আরেকজন ডোনারের শরীর থেকে কিডনি কেটে এনে লাগিয়ে দেয়া। ধনী রোগী অথচ যাদের প্রিয়জনেরা কিডনি দানে অনিচ্ছুক তাদের সহজ উপায় কালো বাজারে কিডনি কেনা। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০০ এই দুই বছরেই কালো বাজারে কেনা এবং অন্য দেহে প্রতিস্থাপিত হয়েছে এমন ২৫০টি কেস পাওয়া গেছে একটি হাসপাতালেই। ১৯৯৪ সালে ভারতের কেন্দ্রিয় সরকার Transplantation of Humans Organ Act পাস করে। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে, শুধুমাত্র রোগীর ঘনিষ্ঠ আত্নীয়ের দেহ থেকেই প্রতিস্থাপনের জন্য অঙ্গ  সংগ্রহ করা যাবে। ঘনিষ্ঠ আত্নীয়দের সংজ্ঞা হচ্ছে বাবা-মা,ভাই-বোন,স্বামী-স্ত্রী এবং পুত্র-কন্যা। এই আইনের লক্ষ্যই ছিল শুধু নৈকট্য এবং আত্নীয়ের বন্ধন যেন অঙ্গ দানের ক্ষেত্রে নিয়ামক হয়। অন্য কোন কিছু যেমন, টাকা-পয়সা বা কোন সুবিধার বিনিময়ে যেন জীবন্ত অঙ্গে বিনিময় নয়া হয়। এই আইনটি প্রনীত হয়েছিল তখনই,যখনই ভারতের দরিদ্র্য জনগোষ্ঠীর এক বিপুল অংশ জীবন্ত অঙ্গ চোরাচালানের শিকার হয়েছিল।

শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রেই অনাত্নীয়ের অঙ্গে নেয়া যাবে যদি সরকারের নৈতিক কমিটির কাছে প্রতীয়মান হয় যে, দাতা শুধু মানবিক এবং সামাজিক কারনে রোগীকে অঙ্গ দান করতে চায়, এখানে অর্থ বা অন্য কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি আমার অজ্ঞতা স্বীকার করে নিয়েই বলছি বাংলাদেশে অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন আছে কিনা তা আমার জানা নেই। এই মুহুর্তে দেশে থাকলে হয়ত জেনে নেয়া যেত। কিন্তু সেই সুযোগ এখানে নেই। এবার আমার আশংকার কথা বলি। একটা কার্যকর এবং কঠোর অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন থাকার পরও জয়ারামুর কিডনি রক্ষা পায়নি। কোন ক্ষতিপুরনও পায়নি জয়ারামু। ওর একটি দোষ ও গরীব। সমাজের সবচেয়ে নীচুতলায় থেকে জয়ারামুরা । সমস্ত পৃথিবীতেই তাবৎ নিগ্রহ- অবিচার মুখে বুজে সহ্য করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই ওদের। বাংলাদেশের নামহীন, পরিচয়হীন, গোত্রহীন, কোটি কোটি জয়ারামুদের কি হবে ? অঙ্গচোরাকারবারীরা কি বসে থাকবেন? তাদের নখ দাঁত বাগিয়ে কি এই অরক্ষিত মানুষগুলোর উপর ঝাপিয়ে পরবে না? বাংলাদেশের শিশুরা পাচার হয় উটের জকি হবার জন্য আর কোটি কোটি রহিমুদ্দি-কলিমুদ্দিরা কি অপেক্ষায় থাকবে কিডনি শিকারীদের খপ্পরে পড়ার জন্য? সতর্ক হবার সময় এখনই।




চিকিৎসকরা নিজ পরিবারে অযোগ্য ডাক্তার তেমনি চিকিৎসকরা নিজে খারাপ রোগী হয়ে থাকেন

আমাদের সমাজে একটি নিরপেক্ষ জরিপ চালালে দেখা যাবে যে, অনেকক্ষেত্রেই ডাক্তারদের পরিবারগুলোতে পরিবারের সদস্যদের শারিরীক ও মানসিক রোগের উপেক্ষা বেশী হয়ে থাকে। হয়তো এটা এমন হতে পারে যে, সেই পরিবারের ডাক্তার বুঝতে পারেন যে, এটা তেমন কিছু নয় কিন্তু বাইরের রোগীকে এই কিছু নয় ব্যাপারটিও যেভাবে সুন্দর করে বুঝিয়ে বলে থাকেন,আমাদের কতজন ডাক্তার নিজ পরিবারে সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয়ার কাজটি করে থাকেন? তাই একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরাও সেই ঘরের বড় ডাক্তারের উপরও ভরসা করতে পারে না। ফলে বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে দৌড়ান, আবার এই দৌড়ানো চাওয়াতে সেই ডাক্তার বেচারাও পরিবারে নিজেকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে অভিযোগ এনে থাকেন। তাই ডাক্তার দম্পত্তি বা ডাক্তার পরিবারে আরেকটু সচেতন থাকা দরকার। পরিবারের সদস্যকে উপেক্ষা না করে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে সুন্দর করে অবস্থা সামাল দেয়া প্রয়োজন,আর তা না হলে নিজ ঘরেই মানসিক রোগী তৈ্রী হতে থাকবে এবং এর দায় ভার নিতে হবে সেই ডাক্তারকেও।

আবার যখন ডাক্তার নিজেই সুস্থ হয়ে পড়েন তখন যেন তিনি ডাক্তারী জ্ঞান ভুলে একজন ননডাক্তারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে যান অনেকক্ষেত্রে, হয়তো বলবেন ডাক্তারতো মানুষ, জী মানুষতো বটে তবে যদি ডাক্তার হয়ে ডায়রীয়াতে সেলাইন খেতে না চান বা তীব্র জ্ব্ররের মাঝে গায়ে কম্বল জড়িয়ে থাকতে চান,কিছুতেই আপনাকে পরিবারের সদস্যরা সামাল দিতে পারে না,তখন কিন্তু সমস্যা সেই ডাক্তার রোগীরই হয়ে থাকে। তাই এইগুলো আমাদের স্বভাব থেকে সরিয়ে নিজ পরিচয় ও জ্ঞানকে সব পরিবেশেই কাজে লাগানো প্রয়োজন।




A medical revolution

Bangladesh, a country of 161 million people, only has 0.4 physicians for every 1000 people. By contrast, in India, this figure is 0.7 for every 1,000, and in the UK, 2.8, France 3.4, and Italy 4.1. The initial picture tells us that we need to double the number of doctors available in the country if we wish to have a ratio close to India and 10 times the figure to match the developed world.

The number of doctors available in the country is concerning, but the issue of paramount importance is our pathway to producing good specialist doctors who would be instrumental in delivering the health care needed in Bangladesh, especially now, after successfully meeting the Millennium Development Goals.

I, myself, am a Colorectal Surgeon at Bart’s and the Royal London Hospital with specialisation in managing colorectal cancer.

Almost 90% of my clinical work is related to colorectal cancer management. Working for the Royal College of Surgeons of England and Bart’s and The Royal London Hospital, England. I also head RAHETID — a pioneering Regional Partner Institute and Hospital of RCS England in Bangladesh for the Region of South-East Asia.

As the head of the institute, my role is to ensure high standards of medical education with support, assistance — both academic and technical — and anything else from the Royal College of Surgeons of England and NHS Institutions like the Bart’s and The Royal London.

Under my leadership, the institute would offer a structured training program of the Intercollegiate Surgical Curriculum Program of the UK Royal College of Surgeons, with the opportunity of two years of salaried sub-specialty training in the UK.

This would facilitate a professional qualification to practice as a senior surgeon by Non-European Union Medical Graduates in their home country such as Bangladesh.

The UN’s General Assembly, in September 2015, adopted 17 Sustainable Development Goals (SDGs) to be achieved by the year 2030. In its 17 declared SDGs, after “No Poverty” and “Zero Hunger,” the UN puts “Good Health and Well-being” as the third most important goal.

While an integrated, well functioning, and prepared primary health care system will no doubt play a vital role in the achievement of SDGs, it is important to understand that the global health focus in recent years, on individual diseases and delivery of health care only through this system, may have underestimated the value of the development of co-ordinated surgical services.

Especially when there has been marked demographic transitions, shifting the major causes of death and disability.

Bangladesh has demonstrated significant success in terms of primary health care, sometimes referred to as the “Bangladesh miracle” — strong health gains with relatively few funds.

The joint donor funded Health, Population, and Nutrition Sector Development Program led by the government of Bangladesh has contributed to significant improvement in a number of very important health indicators. The country has improved in women’s education, economic conditions, and life expectancy.

Bangladesh has duly been applauded and accredited by the international community for its progress in the Human Development Index, associated with more robust gains than some of its neighbours with higher per capita income, like Pakistan or India. Bangladesh’s improvement in health through the Millennium Development Goals, is no doubt very impressive.

However, the 20th century revolution in health, and the consequent demographic transition that the world has witnessed, has resulted in a major shift in causes of death and disability from infectious diseases to non-communicable diseases such as cancer, injury due to road traffic accidents, pregnancy-related complications requiring surgical intervention, heart disease, and so on.

Sadly, a number of factors not unique to Bangladesh are causing serious stagnation and, in fact, is preventing us from reaping the benefits of health care achievements made in the 20th century.

The major causes of death changed globally to new epidemics of non-communicable disease and injuries with the average age of death rising steadily, challenging the finances and capacities of health systems. We in Bangladesh now need significant numbers of properly trained specialists who would be able to deliver cancer care, manage injury and rehabilitate victims of injury, obstetrics and gynaecological surgery, major cardiac and diabetic medical and surgical care, together with anaesthetic care support.

Investment in the development of infrastructure and structured curriculum-based training of specialist doctors can no longer be delayed and definitely cannot be ignored.

Without urgent and accelerated investment in surgical scale-up, low and middle-income countries will continue to have losses in economic productivity, with an estimated cumulative loss of $12.3 trillion (economic loss in productivity due to cancer and injury is estimated at $11.5tn) between 2015-2030. This loss, is in contrast, double the World Bank’s estimated amount of $5tn to $7tn required for achieving all 17 SDGs.

At present, according to the Board of Investment, citizens of Bangladesh spend $2.5bn dollars (or Tk19,698 crore) in other neighbouring countries every year for health care — almost equal to the estimated cost of the Padma bridge in 2011! If we fail to address the issue with utmost urgency it is again estimated that we will lose 2% of our GDP growth by the year 2030. Is it not time that we wake up to the reality and plan to invest in the proper development of our much-needed health care?




Fit to be a doctor(If we wish to have better doctors, some changes need to be made in how we train them)

Only recently, our honourable Health Minister Mohammad Nasim declared a radical change in the system of training doctors in Bangladesh. Instead of one year, doctors after MBBS, will have to go through two years of internship training program.

This decision must be applauded, and credit should go both to the prime minister, who dreams of an exemplary health care for her population, and the health minister himself who executes the plans to carry out that dream.

Some have raised concern, my belief is, due to the gap in communication in understanding the enormous benefits imparted by changing to two years of internship on the quality of doctors, provided that the further comprehensive way to train doctors in the developed world is followed now without further delay.

Getting a medical degree (MBBS) in the developed economies is just the beginning of medical education. Training continues, taking at least five years to become a general practitioner and 8-10 years to become a hospital consultant.

Bangladesh’s health care sector has arrived at a crossroads. The phenomenal success in primary health care, the “Bangladesh Miracle,” has resulted in the demographic transition that requires our doctors to be trained in the way of the developed countries’ training methods.

There is no scope of the argument that Bangladesh is still a developing country and therefore needs short-cuts in producing doctors. Because our success in reducing infant mortality, combating communicable diseases (such as polio, diphtheria, diarrhoeal diseases), and the astonishingly successful improvement in other health indicators, mean we are now threatened by the same diseases like those in the West: Cancer, injury, complications of pregnancy, heart disease, diabetes, and so on.

A comprehensive, structured training process must be in place to ensure that sufficient number of doctors are available in Bangladesh, who are capable of combating these new health threats for our survival.

The system of training doctors in Bangladesh is mainly an individual effort of the doctor — ambiguous, erratic, baffling, vague, and most importantly unstructured, lacking in direction and vision. This is the reality, despite the determination and efforts of the government for the last few years, to provide the best health care to its population for the 21st century.

Any doctor wishing to practice as an independent practitioner in Bangladesh, be it as a general practitioner in the villages or as a specialist in major hospitals in rural and urban settings, without exception will have to undertake further training.

Today, I shall try to throw some light on the training system of doctors in the UK to either become general practitioners in the community, that falls under primary health care or to be specialists in hospital practice under secondary and tertiary health care systems.

First, let’s see what the doctors’ regulatory body in the UK requires as pre-requisite for the doctors to possess, before they are allowed to take care of their patient independently and without direct senior professional supervision:

The General Medical Council of Great Britain comprehensively defines a doctor as someone who makes the care of her/his patients the first priority.

Someone who is competent, armed with the required knowledge, skills, and attributes, capable to establish and maintain good relationships with patients and colleagues, honest and trustworthy, and acts with integrity and within the law.

A good doctor must be competent in all aspects of his/her work, including management, research, and teaching — taking every step to monitor and improve the quality of work in order to provide a good standard of practice and care, adequately assessing the patient’s conditions, taking account of his/her history (including the symptoms and psychological, spiritual, social, and cultural factors).

Their views and values must have the consent or other valid authority to perform, when necessary, examination of the patient, investigations, or treatment that serves the patient’s best interest.

In providing clinical care, a good doctor must prescribe drugs or treatment only when he/she has adequate knowledge of the patient’s health and is satisfied that the drugs or treatment serve the patient’s needs based on the best available evidence.

After MBBS, each doctor has to complete a two year generic Foundation Training Program that forms the bridge between medical school and specialist/general practice training — similar in principle what Mr Nasim is proposing regarding the internship program years. The F1 and F2 provide trainees with opportunity to gain experience in a variety of specialties and health care settings.

What the honourable health minister does not propose, but is essential that he does, is the subsequent training program for doctors in Bangladesh to prepare them for the responsibility of providing appropriate care for the deadly diseases of today.

After successful completion of the Foundation Training Program, doctors are awarded the Foundation Achievement of Competence Document (FACD). They are then able to go on to training in a chosen specialty, or general practice (GP) training.

Training program differ in length and structure according to specialty: General practice lasts three years and other specialties can last five to eight years.

Length of training can also depend on the rate of achievement of competencies.

In order to enter into specialist training in Medicine (ST3 level) a doctor passes the MRCP Examination and to enter into specialist training in Surgery (ST3 level) a doctor passes the MRCS Examination. MRCS/MRCP are essential post-graduate qualifications required before entering the UK specialist training program.

MRCS and MRCP both are examinations — a doctor in the UK will have to pass before entering Specialist Training Program in surgery (MRCS) or in medicine (MRCP). Then doctors in both medicine and surgery are assessed by Annual Review of Competence Progression (ARCP).

When the Joint Royal Colleges of Physicians Training Board (JRCPTB) in case of medicine and the Joint Committee on Surgical Training (JCST) is satisfied that a doctor has achieved sufficient competencies in medicine/surgery to practice as an independent consultant that may take six additional years of training (ST3 to ST8), after MRCS/MRCP examination and entering the Specialist Training Program by competition, the JCST/JRCPTB recommends for award of CCT (Certificate for Completion of Training) to the General Medical Council.

The CCT confirms that a doctor has completed an approved training program in the UK and is eligible for entry into the Specialist Register of the GMC and it is a legal requirement that a doctor practicing as a substantive or honorary consultant in NHS UK holds specialist registration.

It is time that we wake up to the reality of the consequence of our successes in primary health care so far, and plan to invest in proper health care and human resource development — if we wish to prevent death, disability, and further economic loss.




Studying Medicine

Medicine as a career can be vastly rewarding but not without challenges and the life of a doctor can be exceptionally frustrating and at times, very distressful. Pursuing a career in medicine means not only do we have to work industriously for five to seven years in the medical college but then continue with strenuous lifestyle for years faced with yet more grinding training and exams, long hours of diligent duty in hospital wards and helping people through some of the most difficult and personal experiences of their lives.

Life is a doctor has numerous and continued challenges only matched by the positive reasons that medical students commit for choosing an uphill task in medicine. Choice in medical career may be instilled by altruism, because of academic achievement in the sciences, or because of the admiration for relatives or family friends already working in the field but most are also attracted by the potential for a steady career, a healthy income and a respected status in society. Many in the society believe that becoming a doctor is more than a career – it’s a life choice and that doctors shouldn’t be able to shirk the hard work while keeping the status that doctors command.

Today I shall start with my own experience and reflect on how I became a doctor. In this context I must mention my father whose journey of becoming a doctor ignited my dream of becoming a medical/surgical practitioner. My father, I believe was an exceptional person. When I was 11-years-old, I overheard a conversation between my uncle, my cousin and my father regarding what I ought to do when I grow up. My cousin being at the University of Dhaka insisted that as I am so good in maths, I should become an engineer, my uncle being a civil servant wanted me to be CSP (Civil Service of Pakistan) officer. My father didn’t say what he wanted me to be but told me his story of how he was misled into not going to Kolkata Medical School in early 1940s when he was offered a place to study medicine there. My grandfather died when my father, I think, was only two. My widowed grandmother was an extremely capable and hard working lady who successfully raised her children, making sure at the same time that her farmers who used her land property cleared their taxes in due time, not an easy task for a widowed lady in those days. Once my father was offered a chance in Kolkata to study medicine, my grandmother went to her second cousin whose son was at the time studying in Kolkata. Her cousin laughed at her explaining that living costs in Kolkata and studying medicine were so expensive that she must have been crazy to even dream of sending her son to that city. My grandmother was told that it will be very costly and was misinformed about the tuition costs for studying medicine there, which were a lot more than what it actually required. So she returned home heartbroken and told her son that he was not going to medical school. This piece of history from my father’s life made me decide to become a doctor.

When I was only 13-years-old. I was riding on the front bar of a bicycle being paddled by my older cousin. We were headed to my maternal grandparents’ house about seven or eight miles from the town we lived in when a bull was racing towards us from the other side of the road. By the time we noticed it, it was too late. I was left unconscious after the collision. Although my family and friends were very worried about me at the hospital, I still remember that there was a surgeon stitching my head wound and I was attempting to scream. Then I looked at him and his calm, composed and confident smile helped me calm down. But a very strange thing kept happening after that day; I kept seeing myself in the surgeon’s place every time I thought about it.

People rightly become sceptical of such an exaggerated description of a revelatory moment and the ignited desire to become a doctor or a surgeon to be precise. It is surely not enough to convince ourselves that we have the motivation for medicine by simply saying that we do.

Enhancing the understanding of the role of a doctor can be achieved through interacting with medical students and doctors, learning from someone’s own or close friends’ or relatives’ experience of being a patient. Hands-on work experience in a caring role such as helping elderly members in the neighbourhood, volunteering in the local hospital or working with disadvantaged children in special schools being set up in recent times can be exceptionally useful in comprehending what a career in caring for people may involve. Taking part in club activities and social events, fund raising campaigns, games and sports and other community activities may contribute to develop useful qualities for achieving a successful career in medicine.

[Professor Raqibul Mohammad Anwar is a practising colorectal surgeon at RAHETID, a global partner organisation of the Royal College of surgeons of England in Dhaka. He also works for Bart’s and The Royal London Hospital in England. He is a retired colonel from the Royal Army Medical Corps of the British Army and a convener of examinations and an ambassador of the Royal College of Surgeons of England.]




বাইরের দেশে মেডিক্যাল প্র্যাকটিস

অস্ট্রেলিয়াতে এমবিবিএসের পর মেডিক্যাল প্র্যাকটিসের কোন সুযোগ আছে কি?যদি থাকে কি করতে হবে?প্রসিডিউর কি? ইউরোপের ক্ষেত্রে ব্রিটেন ব্যতীত কোন দেশ যেমন  জার্মানী,ফ্রান্স,নেদারল্যান্ড কিংবা অন্যান্য দেশগুলোতে প্র্যাকটিস করতে চাইলে কি কি করতে হবে?
ধন্যবাদ




চিকিৎসকদের কানাডায় অভিবাসন : স্বর্গ না কি সর্বনাশ!

চিকিৎসকদের কানাডায় অভিবাসন : স্বর্গ না কি সর্বনাশ!

 

কানাডায় অভিবাসন নিয়ে এসেছেন অনেক চিকিৎসক। গত কয়েকবছরে এই সুযোগ কিছুটা সঙ্কুচিত হলেও হালে আবার অভিবাসনের সুযোগ খুলেছে। আমি সংক্ষেপে প্রক্রিয়াটা লেখার চেষ্টা করব। এই বর্ণনাটা আমার অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট।

 

কানাডায় অভিবাসন প্রক্রিয়ার সাথে মেডিকেল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশনের কোনো সম্পর্ক নেই। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা প্রক্রিয়া। দুটোই সময়সাপেক্ষ। ডাক্তারদের কানাডার রেজিস্ট্রেশান পরীক্ষা দেওয়ার জন্য যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় তা এরকমঃ

 

www.physicianapply.ca এই ওয়েবসাইটে যেয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এই একাউন্টে দেওয়া আপনার তথ্য PCRC ( physician credential registry, Canada) এবং MCC( Medical Council Canada) দুটো প্রতিষ্ঠানেই গ্রহণযোগ্য।

PCRC একটি তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান। আপনার প্রাথমিক তথ্য এদের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। PCRC তে প্রথমে আবেদন করুন। আপনার তথ্য সংরক্ষণের শেষে একটি প্রিন্ট আউট নিতে হয়, যেটা একজন নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত করে ছবি সহ পাঠাতে হয়। PCRC এই আবেদনটি প্রাপ্তি স্বীকার করে আপনাকে পরবর্তী পদক্ষেপের অনুমতি দেবে। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় ৪-৮ সপ্তাহ লেগে যায়। এই পদক্ষেপ ছাড়া মেডিকেল কাউন্সিলের আবেদন শুরু করা যাবে না।

PCRC আবেদন পত্র হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপের অনুমতি দিয়ে দেয়, সেই সাথে সংলিস্ট মেডিকেল কলেজে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য চিঠি পাঠায়। আমাদের দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী মেডিকেল কলেজে আপনার যোগাযোগ থাকা প্রয়োজন। চিঠি পেলে মেডিকেল কলেজ থেকে উত্তর পাঠানর ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যক্তিগত ভাবে পাঠানর সুযোগ নেই। সেজন্য যদি সম্ভব হয় দেশে থাকতেই কাজটি করুন।

 

PCRC থেকে অনুমতি পেলে আপনি MCCতে আবেদন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট ফি দিয়ে প্রথম পরীক্ষা যা MCCEE ( evaluating exam) নামে পরিচিত, তা দেওয়া যাবে নেপালে বা ইন্ডিয়াতে। আমি গত সপ্তাহে নেটে দেখেছি বাংলাদেশে সেন্টারটি বন্ধ দেখিয়েছে। কেউ আবদনের আগে আবার দেখে নিতে পারেন সেন্টারটি বাংলাদেশে আছে কিনা। এই পরীক্ষাটি কানাডার বাইরে বিভিন্ন দেশে দেওয়া সম্ভব। Qbank নামে একটি ওয়েবসাইট আছে যেখানে এই পরীক্ষার মকশো করা যায়, উত্তর দেখে সংলিস্ট বিষয় সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়। শর্টকাট প্রস্তুতির জন্য আদর্শ। অনেক বিশেষজ্ঞ প্রথম দিকে এটা নিয়ে নাক সিটকাতেন একটা সময়, কিন্তু এখন ধারনা পাল্টেছে। ব্রিটিশ কলম্বিয়াতে (কানাডার পশ্চিমের প্রদেশ) CPSBC( College of Physician and Surgeons of BC) তাদের লাইব্রেরিতে এই ওয়েবসাইটটি রেখেছে।

MCCQ1 এবং MCCQ2 পরীক্ষা দুটো কানাডাতেই দিতে হয় এবং MCCEE পাশের পরে। এই দুটো পরীক্ষার জন্য প্রচলিত সাহায্যকারী বইটির নাম Toronto Notes। এটি বই হিসেবে অথবা নেটে সিডি হিসেবে কিনতে পাওয়া যায়। এই পরীক্ষার জন্যও qbank ব্যবহার করা যায়। তবে যতটা নিজের প্রস্তুতি পরীক্ষার জন্য, ঠিক ততটা পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য নয়। বাংলাদেশি একজন চিকিৎসক যিনি এই দুটো পরীক্ষাতেই ভাল নম্বর নিয়ে পাস করেছেন, উপদেশ দিয়েছিলেন যে একসাথে দুটো পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলে আসলে বেশি ভাল হয়, কারণ দুটো পরীক্ষার ধরন আলাদা হলেও একটা আরেকটার পরিপূরক।

 

এই তিনটি পরীক্ষা একসাথে LMCC নামে পরিচিত। এই পরীক্ষা পাশ করলে তবে রেসিডেন্সিতে আবেদন করা যায়। LMCC Q1 দিয়ে ক্ষেত্র বিশেষে আবেদন করা যায়। কানাডিয়ান মেডিকেল ছাত্ররা Q1 দিয়েই আবেদন করে রেসিডেন্সির। বিশেষজ্ঞ (specialization) অথবা জিপি ( Family Practice) দুটোর জন্যই রেসিডেন্সি করা বাধ্যতামূলক। এই রেসিডেন্সিতে চান্স না পেলে চিকিৎসক হিসেবে চাকরি করার কোন সুযোগ নেই (সাধারন ভাবে), কিছু অসাধারণ ঘটনায় LMCC পাশ করে কেউ কেউ hospitalist হিসেবে চাকরী পেয়েছেন।

রেসিডেন্সিতে এখনকার মেডিকেলের ছাত্র ছাত্রী আবেদন করে তাদের চতুর্থ বরষের শুরুতেই। এটাকে সম্ভবত ম্যাচিং বলে। এদের আগের পরীক্ষার ফলাফল, বিষয় নির্বাচন, এবং ইন্টার্ভিউ এর উপর ভিত্তি করে এরা রেসিডেন্সির জন্য নির্বাচিত হন। রেসিডেন্সির জন্য প্রথম সুযোগ পান এরা। এর পরের খালি পদ পূরণ হয় কানাডিয়ান কিন্তু বাইরে মেডিকেল শিক্ষা গ্রহণ করা ছাত্রছাত্রী, তারপরে পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি ধারি আবেদনকারী দিয়ে। এজন্য অভিবাসীদের জন্য খুব কম সংখ্যক পদ পড়ে থাকে, তাই প্রতিযোগিতা হয় খুব তীব্র।

 

কানাডার স্বাস্থ্য সঙ্ক্রান্ত সংস্থা গুলো ঠিক বাংলাদেশের মত নয়। বাংলদেশের BMDC এর সমতুল্য প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কলেজ। প্রত্যেক প্রদেশে একটা করে কলেজ আছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়াতে এর নাম CPSBC (College of Physician and Surgeons of BC)। প্রদেশের নাম বদলে দিলেই সেই প্রদেশের কলেজের নাম হয়ে যাবে। এরা সেই প্রদেশের সমস্ত চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশান নিয়ন্ত্রণ করে। জিপি কিম্বা স্পেশালিষ্ট। রয়েল কলেজ যা RCPSC (Royal College of Physician and Surgeons, Canada) নামে পরিচিত তা আসলে স্পেশালিষ্ট দের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, আমাদের BCPS এর মত। জিপিদের কলেজের নাম The College of Family Physicians Canada.

 

যারা কানাডার বাইরে থেকে MBBS বা সমমানের পরীক্ষা পাশ করেছেন তাদের এখানে International Medical Graduate বা সংক্ষেপে IMG বলা হয়। MCC এর ওয়েবসাইটে IMG সম্পর্কে বিস্তারিত বলা আছে। IMG রা সাধারণত স্পেশালাইজেশানে সুযোগ খুব কম পায়। কারণ হিসেবে নিয়ম টা উপরে উল্লেখ করেছি। যা পাওয়া যায় তার সিংহভাগ হচ্ছে ফ্যামিলি মেডিসিন রেসিডেন্সি বা জিপি রেসিডেন্সি ।

জনশ্রুতি আছে বাংলাদেশিরা এখানে রেসিডেন্সি পায় না। এই কথাটা কতটা সত্য বলা মুশকিল। কেউ কেউ পেয়েছেন, এবং দ্রুত পেয়েছেন। কেউ পেয়েছেন এদেশে আসার ১০-১৫ বছর পরে। অনেকে আছেন LMCC পাশ করেও কোন রেসিডেন্সি পাননি।

 

ঠিক কিভাবে রেসিডেন্সি পাওয়া যায়?

নিয়ম এখানে সবার জন্য সমান, তোয়াজ বা “মামা খালার” চিঠি কোন কাজে আসে না।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে কয়েকটা পরামর্শ দিতে পারি। LMCC পরীক্ষার উঁচু নম্বর জরুরি। রেফারেন্স এদশে খুব প্রয়োজন, কানাডিয়ান রেফারেন্স ছাড়া বাংলাদেশি রেফারেন্স এর তেমন কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই। এর আগে যারা কোন রেফারেন্স লিখে এনেছেন, দেখা গেছে দুজন প্রার্থীর রেফারেন্স হবহু এক। বাইরে থেকে এসে কানাডিয়ান রেফারেন্স জোগাড়ের একটা ভাল উপায় হচ্ছে মাস্টার্সে ভরতি হওয়া। একবছরের একটা মাস্টার্স করলে দুটো লাভ। এক ডিগ্রি হওয়া, দ্বিতীয়ত ভাল রেফারেন্স তৈরি করা। কানাডার সব প্রদেশে নিয়ম এক নয়। ঠাণ্ডার জায়গা গুলোতে নিয়ম কিছুটা শিথিল। সেখানে রেসিডেন্সি পাওয়াও যায়। তার জন্য সেখানে অন্তত ৫ বছর সার্ভিস দিতে হয়।

 

রেসিডেন্সির বাইরে যে চাকরী পাওয়া যায় তার একটা হচ্ছে Physician অ্যাসিস্ট্যান্ট। একজন family physician এর সহকারী হিসেবে। এটা অন্টারিও , আলবার্টা প্রদেশে আছে শুনেছি। অন্য প্রদেশেও অল্প বিস্তর থাকতে পারে। নিউ ব্রান্স উইক প্রদেশে LMCC কমপ্লিট করে Hospitalist হিসেবে কাজ করছেন কেউ কেউ। Hospitalist এর পদ টা আমাদের দেশের RMO পদের মত। হাসপাতালে ভরতি হওয়া কোন রোগীর মেডিসিন সঙ্ক্রান্ত অসুবিধা হলে এঁরা প্রথম চিকিৎসা দেন।

 

কানাডিয়ান রেফারেন্স পাওয়া বিষয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা

আয়ারল্যান্ডে এবং কানাডায় কাজ করছি প্রায় ১৩ বছর। আমাদের এবং ইউরোপীয় ও উত্তর আমেরিকান মানসিকতার পার্থক্য অনেক। এখানে মানুষ নিজের প্রচার নিজেই করে। নিজে কি করল সেই বর্ণনাটা বেশ ঘটা করেই দেয়, এমনকি নিজের ছেলের নাক মোছানো হলেও। নিজেদের মধ্যে রসিকতা করে, তা যেমন চটুল হতে পারে, তেমনি হতে পারে নির্দোষ। এদের জীবনের প্রাত্যহিক ঘটনা জানলে বন্ধত্ব তৈরি করা সহজ। যেমন স্পোর্টস এদেশে খুব জনপ্রিয়। আইস হকি সম্পর্কে একটুও না জানলে সামারে আলাপের প্রসঙ্গ খুঁজে পাওয়াই মুস্কিল। প্রত্যেক প্রদেশের নিজস্ব হকি দল আছে, তাদের খেলা কবে, কার সাথে জিতল , এসব আলোচনা আমাদের দেশের ক্রিকেট আলোচনার মতই। যারা মিতভাষী তাদের জন্য এখানে নিজেকে প্রকাশ করা খুব শক্ত। এদেশে একজনের শুধু কাজ দেখে মূল্যায়ন করে না কেউ। দেখতে চায় সহকর্মী হিসেবে “এই ব্যক্তিকে আমি চাই কিনা “ এভাবে।

এটা মনে রাখা দরকার যে USMLE পরীক্ষা MCC গ্রাহ্য করে। কেউ USMLE সম্পূর্ণ করে এলে LMCC দিতে হয় না। যারা এখন কানাডায় অভিবাসনের জন্য আবেদন করছেন , তারা USMLE পরীক্ষা দিলে কানাডা এবং আমেরিকা দুই জায়গাতেই রেসিডেন্সির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ডাক্তার হিসেবে কেরিয়ার টা টিকে জাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

 

আমেরিকার তুলনায় কানাডা জনসংখ্যায় কম, সুযোগের ক্ষেত্রেও স্বল্প। এভাবে দেখা যেতে পারে যে আমেরিকা ৫০ টি দেশের সমষ্টি আর কানাডা ১০টি। সুতরাং চিকিৎসক হিসেবে আমেরিকাতে সুযোগ পাওয়া কানাডার চাইতে “সহজ”।

 

কানাডায় চিকিৎসকদের গড়পড়তা বার্ষিক আয় প্রায় 3 লাখ ডলারের কাছাকাছি।(ব্যতিক্রমঃ প্লাস্টিক সার্জন, আই সার্জনদের উপার্জন অনেক অনেক বেশি) । বর্তমানে এই উপার্জনে ট্যাক্স প্রায় ৪০ % সব মিলিয়ে। তারমানে মাসে ১৫ হাজার ডলারের মত আয়। এই থেকে বাদ যাবে আরও ৫ হাজার ডলার অফিসের খরচের জন্য। সব মিলিয়ে হয়ত ১০ থেকে ১২ হাজার ডলার মাসে নিজের খরচের জন্য পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সাথে হিসাব করলে ৫ থেকে সারে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত। জিনিসপত্রের দাম, বাড়ির দাম মিলিয়ে দেখলে এদেশে তেমন কোন উপার্জন নয়। উপরন্তু এদেশে ডাক্তারদের কোন পেনশন নেই, তাই চাকরী শেষের দিনগুলির জন্য টাকা জমিয়ে রাখতে হয়। বাংলাদেশে যিনি মাসে ট্যাক্স বাদে তিনলাখ টাকা উপার্জন করেন , তিনি কানাডার চিকিৎসকের চাইতে অনেক বেশি খরচ করার সামর্থ্য রাখেন তুল্য মূল্য বিচারে।

তাহলে শুধু শুধু এদেশে আসা কেন?

 

বাংলাদেশ থেকে এসে এখানে চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে যে সময় দিতে হয় তা অনেক। তারপরও যারা পাশের পরে দ্রুততম সময়ে এখানে এসে চেষ্টা করবেন তাদের চিকিৎসক হওয়ার সম্ভাবনা কম নয়। তবে এখানে দলাদলি নেই, বর্ণবাদি আচরণ অন্তরলিন। যারা মিশতে পারে কানাডিয়ানদের মত করে তারা দ্রুত খাপ খাইয়ে নেন। নির্দিষ্ট সময়ের পরে প্রাকটিসের ঝামেলা নেই। পরিবারের জন্য সময় দেওয়া যায়। অন্য সমস্ত অপরাধ মূলক কার্যক্রম বাংলাদেশের চাইতে অনেক কম। নিজের পোস্টিং রাখার জন্য ঘুষ দিতে হয়না। ধাক্কা খাবার ভয় নেই। এই স্বস্তির দাম হচ্ছে সেই পরিশ্রমটুকু যা করলে এখানে চিকিৎসক হিসেবে টিকে থাকা যাবে।

কানাডাতে এখনো অনেক Family Physician প্রয়োজন। যারা এটাকে গ্রহণ করতে চান, তাদের বেশ কিছু সুযোগ আছে। কিন্তু যারা এখানে এসে স্পেসালাইজেশান করতে চান তাদের জন্য কাজটা অসম্ভব না হলেও দুরুহ।

 

যারা এসে পড়েছেন তাদের জন্য অভিনন্দন, যারা আসতে চান তাদের জন্য শুভেচ্ছা!