শুক্রবার, জুন ১৮, ২০২১

স্ট্রোক

স্ট্রোক

image_pdfimage_print

এপ্রিল ১৯৯৮, আনওয়ার সাহেব একটা ফটো স্টূডিওর মালিক, সকালে ঘুম থাইকা উঠছেন প্রতিদিনের মতই, নাস্তা কইরা যাইতে হইব দোকান খুলতে, আজকা এ্যাসিস্টেন্টটা আইবো না কামে বইলা গেছে।

সংসারের সব কাজ কাম করতাছিল সব ঠিকঠাক, ঘুম থাইক্যা উইঠা গোছল কইরা দোকানে যাওয়ার জন্য কাপড় পড়তাছে, হঠাৎ যে কি হইল, মুখের একপাশটা বাঁকা হইয়া গেল, উনি মেঝেতে লুটাইয়া পড়লেন স্ত্রী তার নাস্তা বানাইতাছিলেন আওয়াজ পাইয়া দৌড়াইয়া আইসা দেখেন স্বামী মাটিতে, জ্ঞ্যান আছে চোখে শুন্য দৃষ্টি কথা বলতে পারছেন না। সবাই ধরাধরি কইরা শমরিতা হাসপাতালে ভর্তি করাইলো নিয়া।

দেখা গেল তার ডান পাশটা অবশ হইয়া গেছে। ডান হাত কনুইর সামনে ভাজ আর তা সোজা করতে পারেন না আর হাত মুঠো পাকানো আঙ্গুল খুলতে পারে না, কথা বলতে পারেন না, ডান পায়ে কোন সাড়া নাই। উনি অর্ধেক মানুষ অর্ধেক পাথর! ডাক্তার বললেন ইস্কেমিক স্ট্রোক।

পরীক্ষা, বিশেষজ্ঞ্য, কলসাল্টেশন, যত্ন, অষুধ, পথ্য, রিহ্যাবিলেটেশন, খরচা পাতি, রোগীর মেজাজ, পরিচর্যাকারীর সমস্যা পরিস্থিতির সাথে পরিবারের এ্যাডজাস্টমেন্ট আবার খরচা পাতি শুরু হইল আর চলতে থাকলো ২০১৮ পর্যন্ত। শেষমেষ আমার বড় মামা আনোয়ার সাহেব মারাই গেলেন ২০১৮ সালে। উনি ভাগ্যবানই কইতে হইব, স্ট্রোকের পরে মানুষ সাধারনত এতদিন বাঁচেন না, আনোয়ার সাহেবের মা স্ট্রোক হওয়ার পরে সাত বছর বেঁচে ছিলেন তখন এই আনোয়ার সাহেবই তার ছোট ভাইএর সাহায্য নিয়া মা কে দেখা শোনা করছেন। আর দেখা শোনা করছেন তার ছোট ভাই আর স্ত্রী! পরিবারের প্রচন্ড ত্যাগ আর সহযোগীতাই তার জন্য বাঁইচা থাকাটা সহজ হইছিল।

উক্কে আজকার সাব্জেক্ট স্ট্রোক!
‘আইছো ভবে যাইতে হবে’! আর যাওয়ার তরিকার অন্যতম প্রধান কারন স্ট্রোক!

স্ট্রোক আসলে কি?
কম কথায় কইতে গেলে স্ট্রোক হইল মেডিক্যাল ইমার্জেন্সী, যখন রক্ত প্রবাহ মস্তিস্কে যাইতে বাধা পায় তারে স্ট্রোক কয়। মগজের সেল বা কোষ গুলিতে রক্ত তার প্রয়োজনীয় অক্সিজেন নিয়া যায়, অক্সিজেনের অভাবে মগজের কোষ গুলি মারা যাইতে থাকে। সিরিয়াস উপসর্গ, স্থায়ী বৈকল্য এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত হইতে পারে।

কয়েক রকম স্ট্রোক হইতে পারে তার মধ্যে তিন রকম প্রধান, ট্রান্সিয়েন্ট ইস্কেমিক এ্যাটাক (টি এই এ) ইস্কেমিক ও হেমোরেজিক স্ট্রোক। ধারনা করা হয় প্রায় ৮৭% স্ট্রোকই ইস্কেমিক স্ট্রোক।

ট্রান্সিয়েন্ট ইস্কেমিক এ্যাটাকঃ Transient Ischemic Attack (TIA) ডাক্তার মাম্মারা টি আই এ রে সতর্ক সংকেত বা মিনিস্ট্রোক (Mini-stroke) বইলা থাকেন। দানা বাঁধা রক্ত কনিকা বা ক্লট যদি সাময়িক ভাবে মস্তিস্কে রক্ত প্রবাহে বাধা দেয় তারে টি আই এ কয়। এই ব্লাড ক্লট আর উপসর্গ ক্ষণস্থায়ী । আমার বাবার হইছিল, তাঁর মুখের ডান পাশ বাঁকা হইয়া গেছিল, কথাও জড়াইয়া যাইত, সপ্তাহ দুয়েক পরে ঠিক হইয়া গেছিল তৎক্ষনাত চিকিৎসার ফলে।

ইস্কেমিক স্ট্রোক (Ischemic Stroke):
টি আই এ র পরবর্তী অবস্থা, যখন সেই ব্লাড ক্লট (Blood clout) সইরা যাইতে পারে না, আর মগজে রক্ত প্রবাহে স্থায়ী হইয়া যায়। ডাক্তার মাম্মারা বলেন এই রক্ত জমাট বাধার কারন এ্যথিরোস্কেলেরোসিস (Atherosclerosis) বা ধমনী/আর্টারীর নমনীয়তা কইমা যাওয়ার ফলে হইতে পারে। রক্তে প্রবাহিত চর্বি জাতীয় পদার্থ যখন ধমনী বা শিরার ভিতরের দেওয়ালে লাইগা যায় তখন তা ধমনীর নমনীয়তা কমায়, রক্ত নালীর প্রসারতা কমাইয় মানে চিপা কইরা দেয়। (পাইপে ময়লা জমলে কি হয়!) অই চিপা রাস্তা দিয়া গাড়ি যাওয়ার সময় আটকাইয়া যাইতে পারে রাইট!

সেইম কনসেপ্ট, রক্তনালীতে ফ্যাটি এ্যাসিড জইমা তারে সরু কইরা দিছে আর আরেকটা ফ্যাটি এ্যাসিডের দলা আইসা সেই সরু যায়গা দিয়া যাওয়ার সময় আটকাইয়া রক্ত প্রবাহ থামাইয়া দিছে, এই ট্রাফিক জ্যাম এর ঘটনাটা শরীরের অনেক জায়গায়ই হইতে পারে হার্টে হইলে হার্ট এ্যাটাক আর পায়ে হইলে পেরিফেরাল আর্টারী ডিজিজ (Peripheral Artery Disease, PAD) নামে ডাকা হয়। আর মাথায় হইলে তারে ইস্কেমিক স্ট্রোক কয়।

যখন এই ব্লাড ক্লট শরীরে অন্য অংশ থাইকা আইস্যা আকাম করে তারে এম্বোলিক (Embolic) কয়। আর শতকরা ১৫% এম্বোলিক স্ট্রোক ঘটে আট্রিয়াল ফিব্রিলেশনের (Atrial Fibrillation) কারনে, ( অনিয়মিত হার্ট বিট)।

আর থ্রম্বোটিক স্ট্রোক (Thrombotic Stroke) হইল যখন ব্লাড ক্লট মগজেই তৈরী হয়। টি আই এ (TIA) চিকিৎসা ছাড়াই সাইরা যাইতে পারে কিন্তু ইস্কেমেইক স্ট্রোকের জন্য প্রগাঢ় চিকিৎসা দরকার

হেমোরেজিক স্ট্রোক ( Hemorrhagic Stroke): অনেক সময় পত্রিকায় পড়বা মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ জনিতে কারনে অমুক মারা গেছেন, এইটাই হেমোরেজিক স্ট্রোক।

এই ঘটনা ঘটে যখন মস্তিকের রক্তবাহী নালী বার্স্ট করে, ছিড়া যায়, ফাইটা যায় আর রক্ত বাইর হইয়া আশেপাশের টিশুতে ছড়ায়। এইটার ও দুই ধরন আছে, একটারে এ্যনেউরিজম aneurysm,কয় মানে দুর্বল হইয়া যাওয়া মগজের রক্ত নালী বেলুনের মত ফুইলা ওঠা অথবা তা বার্স্ট হইয়া যাওয়া। আবার মস্তিস্কে রক্তবাহী নালী বা শিরায় গঠনই গোলমেলে হইতে পারে তখন সেইটারে আর্টিওভেনাস ম্যালফর্মেশন arteriovenous malformation কয়।

উক্কে শত্রূর পরিচয় দিলাম, এইবার দেখা যাক শ্রত্রূর কাজ কাম।
আশংকার কথা হইল কার কখন স্ট্রোক হইব বাইরে থাইকা বোঝার উপায় নাই। কারন ‘ইয়ে আন্দার কা ব্যাত হ্যায়’। রক্ত নালীতে ক্যাচাল তাও মগজের মত দুর্গে!! একজনের জীবন যাত্রা আর বর্তমান মেডিক্যাল কন্ডিশন দেইখা আন্দাজ করা যাইতে পারে মাত্র কিন্তু আগাম কোন উপায় নাই ।

স্ট্রোক এর ভিক্টিম দের তিনটা স্টেজ বলা যায়
** একঃ রোগীর স্ট্রোক হবার আগে, লাইফ স্টাইল বদলানোই প্রধান উপদেশ হইতে পারে। মানে উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টরল ডায়াবেটিক থাকলে স্ট্রোক হইতে পারে মাইনা নিতে হইব আর তার প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হইব।

** দুইঃ ঘটনা ঘটা কালীন সময় করনীয় ইংরাজীতে কয়েক্টা সংক্ষিপ্ত টার্ম ব্যবহার করে। একটা FAST এফ এ এস টি , ফাস্ট আক্ষরিক অর্থ দ্রুত, স্ট্রোক রোগীদের বেলায় টাইম ইজ দ্য এসেন্স, যত তাড়াতাড়ি চিকিৎসা ব্যবস্থা করা যায়। এর প্রাথমিক চিকিৎসা বলতে গেলে কিছু নাই।

F: ফেস – রোগীর মুখ কি এক দিকে ঝুইলা গেছে, বাঁকা হইয়া গেছে? দেখলে রোগীকে হাসতে বলো বা জিহ্বা বাইর করত বলো এতে পরিস্কার বোঝা যাইব তার চেহারার বিকৃত অবস্থা।

A: আর্মস – রোগীকে তার দুই হাত সামনের দিকে আ পাশে প্রসারিত কইরা ধইরা রাখতে বলো সেই অবস্থায় ৫/১০ সেকেন্ড, স্ট্রোকের রোগীর পক্ষে সম্ভব হইবো না হাত পাশে পইড়া যাইব।

S: –স্পীচ – রোগীর কথা কি জড়াইয়া যাইতাছে, তার কথা বলতে অসুবিধা বা বুঝতে অসুবিধা হইতাছে?

T: টাইম – উপরে একটা বা একাধিক লক্ষন দেখা গেলে বিদ্যমান ইমার্জেন্সী সার্ভিস ডাকো না থাকলে হাসপাতালে নিয়া যাও তৎক্ষনাত।

অনেকে ফাস্ট এর সাথে আরো দুই টা অক্ষর লাগায় বি ই (BE FAST)
B- ব্যালেন্স, স্ট্রোক এর রোগী শাররীক ভারসাম্য হারায়,
E আইজ – স্ট্রোকের রোগী দৃষ্টি ঘোলাটে হইতে পারে, দেখতে অসুবিধা হইতে পারে।

এইগুলি ছাড়াও অন্যান্য উপসর্গ প্রতীয়মান হইতে পারে।
শরীরের একদিক অবশ হইয়া যাওয়া।, এক চোখে দেখতে না পাওয়া, দৃষ্টি ঘোলাটে হইয়া যাওয়া, কথা বলতে অসুবিধা বা বন্ধ হইয়া যাওয়া, ঢোক গিলতে অসুবিধা বা না পারা, বমি ভাব, পায়খানা প্রস্রাবের নিয়ন্ত্রন হারানো, মাতালের মত ভারসাম্যহীন আচরণ, দ্বিধাগ্রস্ত, হঠাৎ মাথা ব্যাথা, জ্ঞ্যান হারানো, মাথা ঘোরা। এর কয়েকটা ভবিষ্যত স্ট্রোকের সতর্ক সংকেত হইতে পারে।

ঘটনা ঘটা কালীন কি করা যায়?
তোমার সামনে যদি এই ঘটনা ঘটতে থাকে কি করা যায়, এইটারে ঠিক প্রাথমিক চিকিৎসাও বলা যাইব না, কারন তুমি আসলে রোগের কিছুই করতে পারবা না, খালি রোগীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারবা ডাক্তার মাম্মার কাছে পৌছানের আগ পর্যন্ত।

* রোগীর যদি জ্ঞ্যান থাকে।
১) শান্ত থাক, তুমি নিজেই প্যানিক হইয়া বা ঘাবড়াইয়া আসল ঘটনারে ঘোলাটে কইরা ফালাইবা।

২) স্থান এর নিরাপত্তা নিশ্চিত কর, রাস্তায় ঘটলে যানবাহন থাইকা বাঁচাও।

৩) রোগীর সাথে কথা বল, তার নাম, ঠিকানা আর জন্মতারিখ (জানা ঘটনা) জাতীয় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা, যদি দেখ কথা বলতে অসুবিধা হইতাছে তাইলে তার হাত মুঠো কইরা ধর আর জিজ্ঞাসার উত্তরে তারে তোমার হাতে চাপ দিতে কও, যদি অপারগ হয় তাইলে রোগী জ্ঞ্যান হারাইছে।

৪) যদি রোগীর সংজ্ঞ্যা থাকে। সাবধানে তারে আরামদায়ক পজিসনে শোয়াও, তার শরীরের একপাশে, মাথা ইষৎ উচুতে কাপড়, বালিশ বা অন্য কিছু দিয়া এলিভেটেড, এই অবস্থা থাইকা নড়ানোর দরকার নাই।

৫) পরিধানের কাপড় ঢিলা কইরা দেও, সার্টের কলার, টাই, বোতাম, স্কার্ফ, চাদর খুইলা দেও যারে শ্বাস প্রশ্বাস চলা সহজ হয়।

৬) যদি ঠান্ডা থাকে তাইলে কমবল বা গরম কাপড় দিয়া চাপা দেও।

৭) খেয়াল কর তার শ্বাসনালীর রাস্তা পরিস্কার, বমি বা অন্য কিছু গলায় আটকা আছে কিনা, থাকলে পরিস্কার কর।

৮) তারে ভরসা দেও, বলো ইমার্জেন্সীতে খবর দেওয়া হইছে ব্যাবস্থা হইতাছে চিকিৎসার।

৯) তারে কিছু খাইতে বা পান করতে দিও না।

১০) নজর রাখ, তার অবস্থার পরিবর্তন হয় কিনা, ইমার্জেন্সী /এ্যাম্বুলেন্স আসলে যাতে বলতে পার পরিবর্তন।

১১) সময়টা খেয়াল রাখতে চেষ্টা কর।চিকিৎসার সময় কামে লাগতে পারে।

* যদি রোগী অজ্ঞ্যান থাকেঃ

১) নিজে শান্ত থাক।

২) রিকোভারী পজিশনে ( শরীরের একপাশে শোয়ানো, কাত করা, মাথা একটু পিছন দিকে, হাত বাইরের দিকে, এক হাঁটু ভাজ করা) শোয়াও।

৩) শ্বাস প্রশ্বাস চলতাছে কিনা চেক কর, (রোগীর মাথা একটু পিছন দিকে বাঁকাও, থুতনী উচু হইব, বুকের দিকে খেয়াল কর উঠা নামা করতাছে কিনা, শ্বাস প্রশ্বাসের শব্দ পাওয়া যায় কিনা, নাকের কাছে নিজের গাল নিয়া যাও প্রবাহিত বাতাসের ছোয়া পাও কিনা)

৪) শ্বাস না থাকলে সিপি আর বা কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যবস্থা কর। বুকের মাঝখানে দ্রুত আর জোরে চাপ দেও যাতে তার ফুসফুস থাইকা বাতাস বাইর হইয়া আবার ঢোকে।
সর্বক্ষেত্রেই ইমার্জেন্সী সার্ভিস ডাক।

** তিনঃ ঘটনার পর করনীয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরে ডাক্তার মাম্মা পরীক্ষা নিরীক্ষা কইরা রোগ নির্নয় আর চিকিৎসা ব্যবস্থা নিবেন। রোগ নির্নায়ক পরীক্ষা হিসাবে তারা এম আর আই ও সিটি স্ক্যান করাইতে পারে অন্যান্য পরীক্ষার সাথে। এই দুই টেস্টে স্ট্রোকের অবস্থান ও কারনও নির্ণয় করা যায়।

স্ট্রোক কাদের হইতে পারে?
এক কথায় সবার, তবে যাদের উচ্চ রক্ত চাপ, কোলেস্টেরল বেশী, পূর্ব স্ট্রোক হিস্ট্রি, ডায়াবেটিস, হার্ট ডিজিজ, আর যারা বিড়ি খায় তাদের হবার সম্ভাবনা বেশী।

স্ট্রোকের চিকিৎসা কি?
সেইটা তো ডাক্তার মাম্মায় কইতে পারবো, তবে পদ্ধতির মধ্যে অষুধ প্রয়োগ, ফিজিক্যাল থেরাপী, স্পীচ থেরাপী, লাইফস্টাইল চেঞ্জ, আর সার্জারী করতে পারেন। যদি স্ট্রোক হবার কয়েক ঘন্টার মধ্যে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হওয়া যায় তাইলে ডাক্তার মাম্মা ব্লাড ক্লট স জন্য চেষ্টা করতে পারেন যাতে তার লংটার্ম বা সুদুর প্রসারী এফেক্ট থাইকা বাঁচার জন্য।

বটম প্যারাঃ
সময় এইটাই আসল। দেরী করা যাইবনা। ফাস্ট দেখ ফাস্ট কাম কর!
হাসপাতাল থাইকা আসার পরেই রোগী আর তার পরিবারের আসল কাজ শুরু হয়, রোগীর চাই অদম্য আগ্রহ আর চেষ্টা, আর পরিবারের চাই সহনশীলতা, ধৈর্য্য, রোগীর চারপাশের পরিবেশকে তার জন্য নিরাপদ আর বান্ধব কইরা তোলা। যদি প্রাণে বাইচা যায় তাইলে স্ট্রোকের রোগীর অনেক সময় লাগে সুস্থ্য হইয়া উঠতে।

ডর লাগেরে মামু ডর লাগে!

সূত্রঃ ডাক্তার নাজমা রশীদ ( আমার ছোট বইন)

FavoriteLoadingপ্রিয় পোস্টের তালিকায় নিন।

About The Author

মন্তব্য করুন