শুক্রবার, জুন ১৮, ২০২১

ঠান্ডা ও হাঁপানি সমস্যায় সাবধানতা

ঠান্ডা ও হাঁপানি সমস্যায় সাবধানতা

image_pdfimage_print

হাঁপানি রোগীদের জন্য শীতল আবহাওয়া, সর্দি-কাশি-ফ্লু বা ঠান্ডাজ্বর প্রচণ্ড কষ্ট আর বিপদের কারণ হতে পারে। প্রতি বছর শীতে শিশুদের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ এবং বড়দের ৪০ শতাংশ হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের তীব্রতা বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণগুলো হলো: এই সময়ে ঠান্ডা, জ্বর বা ফ্লুর প্রকোপ, ঠান্ডা-শুষ্ক বাতাস যা শ্বাসতন্ত্র সংকুচিত করে, শীতে বেড়ে যাওয়া ধুলাবালু ও ধোঁয়ার পরিমাণ, কুয়াশা ও বদ্ধ গুমোট পরিবেশ ইত্যাদি। এসবই শ্বাসতন্ত্রের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে দেয়, ফলে হাঁপানি রোগীর কষ্ট বাড়ে।

শীতে ঠান্ডা ও হাঁপানির সমস্যায় অনেকে ভোগেন। শীতে ঠান্ডা ও হাঁপানি থেকে রক্ষা পেতে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

-ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করুন।

-কুসুম কুসুম গরম পানি পান করুন। হালকা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করতে পারেন।

-প্রয়োজনমতো কাপড় পরুন। তীব্র শীতের সময় কান ঢাকুন, টুপি পরুন এবং গলায় মাফলার ব্যবহার করুন।

-ধুলাবালি এড়িয়ে চলুন।

-ধূমপান পরিহার করুন।

-ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।

-হাঁপানি রোগীরা শীত শুরুর আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ইনহেলার ও অন্যান্য ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন।

-যাঁদের অনেক দিনের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আছে, তাঁদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিমোকক্কাস নিমোনিয়ার টিকা দেওয়া উচিত।

-তাজা পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এগুলো দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে।

-হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন। বিশেষ করে চোখ ও নাক মোছার পরপর হাত ধোন।

 

[সংগ্রহীত]

FavoriteLoadingপ্রিয় পোস্টের তালিকায় নিন।

About The Author

মন্তব্য করুন