শুক্রবার, এপ্রিল ১৯, ২০১৯

ওজন কমানের শেষ চিকিৎসা – ব্যারিয়াট্রিক সার্জারী

ওজন কমানের শেষ চিকিৎসা – ব্যারিয়াট্রিক সার্জারী

*** সংবিধিবদ্ধ সতর্কবানীঃ আমি ডাক্তার না, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞ্যতা আর ইন্টারনেট আমার ভরসা, আমার উদ্দেশ্য সচেতনতা তৈরী করা। আউলা কিছু কইয়া থাকি তাইলে ডাক্তার মাম্মালোগ একটা ধমক দিয়া শুধরাইয়া দিও।***

“ডাক্তার মাম্মা আর পারি না। এ্যাটকিন্স (Atkins), জেইনী ক্রেইগ (Jenny Craig), কেটো (Ketogenic) নিরামিষ (Vegetarian), ভেগান (Vegan), কাঁচা খাবার (Raw Food), মধ্যপ্রাচ্যীয়(Mediterranean), Weight Watcher’s Diet, South Beach Diet কত ফর্মূলা আজমাইলাম, আপনে নিজে আমারে ডায়েট চার্ট দিছেন তাতেও কাম হয় নাই। ব্যায়াম করলাম, ইয়োগা করলাম, ওজনতো কমে না। আমার শরীর থাইকা কাইটা কুইটা গোস্ত কমান এই ওজন লইয়া আর চলতে পারি না”।

নাহ গল্পের ভূমিকা না, এমন আসলেই হয়। শত চেষ্টার পরেও নিজের ওজন একটা গ্রহনযোগ্য সন্তোষজনক পর্যায়ে নামায়া আনা যায় না। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওজনের মানুষরে ওবিস Obese বলে, আর ওবিস হয় ওবিসিটি Obesity রোগ থাইকা হ্যা এইটা একধরনের অসুস্থ্যতা। আমেরিকার মোট জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ ওবিস (Obese) মানে স্থুল! জনসংখ্যার পুরুষদের মধ্যে ৫৫% স্থুল, জন্মদানক্ষম মেয়েদের মধ্যে ৮০% মহিলা স্থুল।

“মহিলারাই বেশি আসেন অভিযোগ নিয়া তাদের গড় বয়স ৩০এর শেষে দিকে আর ওজন ৩০০ পাউন্ড” বলেন Robert Brolin, MD president of the American Society for Bariatric Surgery

শরীরের গঠনানুযায়ী একটা নির্দিষ্ট মাপ ঠিক করা গেছে যে উচ্চতানুযায়ী কার কত ওজন হওয়া বাঞ্চনীয়, এইটারে ‘বিএমআই’’ বলা হয়।

BMI – বডি মাস ইন্ডেক্স অর্থাৎ তোমার শরীরের প্রকৃত আয়তন মাপার যন্ত্র কইতে পার। এইটাতে তোমার উচ্চতা এবং ওজন যোগ কইরা একটা সংখ্যা নির্ধারন করা হয়। এই সংখ্যাটি আসলে নির্দেশ করে তোমার ওজন তোমার উচ্চতানুসারে সঠিক কিনা।

একটা গড় হিসাব বাইর করা গেছে, কারো বিএমআই ১৮.৫ থাইকা ২৪.৯ হইলে তারে স্বাভাবিক ধইরা নেওয়া হয়। ১৮.৫ বি এম আই এর কম অথবা ২৪.৯ এর যত বেশী ঝুঁকি তত বেশী। ১৮.৫ এর নিচে হইলে আন্ডারওয়েট ১৮.৫ থাইকা ২৪.৯ হেলদী, ২৫ থাইকা ২৯.৯ ওভারওয়েট আর ৩০ এর উপরে হইলেই ওবিস ধরা হয়।

১৮.৫ এর নিচে হইলে অস্টিওপেরোসিস, দূর্বল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইটিং ডিজওর্ডার হইতে পারে, ২৫ অথবা তার উপরে হইলে ডায়াবেটিস, হার্ট ডিজিজ, অথবা কোন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। নাম্বার যত বাড়বো ঝুঁকি তত বাড়বো।

নিচের দুইটা লিংকএ বিএমআই হিসাব করার একটা টুল আছে সেইখানে উচ্চতা আর ওজন লেখলেই জানতে পারবা তুমি ওবিস বা স্থুল কিনা!

চুপে চুপে কই আমিও ওবিস! আমার বিএমআই ৩২.২ আমার ডায়াবেটিস আছে, আমার হার্টএর সমস্যা আছে।
যাদের কোন চেষ্টাতেই আশাব্যাঞ্জক ফল পাওয়া যায় না, তাদের লাস্ট রিসোর্ট হিসাবে সার্জারী রিকোমেন্ড করতে পারেন ডাক্তার মাম্মা। এইটারে ‘ব্যরিয়াট্রিক সার্জারী’ কয়। এই সার্জারীর দুইটা উদ্দেশ্য থাকেঃ

রেস্ট্রিকশনঃ সল্য চিকিৎসার মাধ্যমে পাকস্থলীরে খাবারের প্রবেশ নিয়ন্ত্রন করা হয় তাতে খাবারের পরিমান ও ক্যালরী নিয়ন্ত্রণ হয়। অর্থাৎ পাকস্থলীতে স্বাভাবিক খাবার প্রবেশে বাধা দেওয়া।

ম্যালএবজরবসনঃ এটাতেও অস্ত্রপোচারের মাধ্যমে ক্ষুদ্রান্ত্রের আকার ছোট করা হয় অথবা বাইপাস করা যায় যাতে খাবার দ্রুত শরীর থাইকা বহিস্কৃত হয় আর অন্ত্র তা থাইকা খাদ্যপ্রান শুইষা নিতে না পারে।
এই ব্যারিয়াট্রিক সার্জারীর আবার বিভিন্ন নাম আছে তার বিভিন্ন পদ্ধতির জন্য।

• ‘রূ এন ওয়াই’ গ্যাস্ট্রিক বাই পাসঃ (Roux- en Y Gastric bypass)
এই পদ্ধতিতে সার্জন মাম্মা তোমার পাকস্থলীর উপরি ভাগে (পাকস্থলীর একটা অংশ কাইটা) একটা ছোট পকেট বানায়। সাইজে হাতের বৃদ্ধাংগুলের চাইতে একটু বড়। তোমার গৃহীত খাবার শুধু এই পাউচে/পকেটেই আসে। এইটা তোমার খাবার আর পানীয় নিয়ন্ত্রন করে যে, তুমিই একবারে কতটুক খাইতে পারবা। পাকস্থলীর উপরি ভাগে ‘সেনসর’ থাকে যা তোমার মগজে খবর পাঠায় যে ‘পেটে জায়গা নাই’, পেট ভইরা গেছে। আসলে পাকস্থলীর সাইজ ছোট কইরা দেওয়ায় তোমার পেট অল্প খাবারেই ভইরা যায়।

তাপপরে স্মল ইন্টেস্টিন্স বা ক্ষুদ্রান্ত্র মূল পাকস্থলীর একটু নিচ থাইকা কাইটা নতুন পকেটের সাথে সংযোগ কইরা দেওয়া হ্য়। এতে গৃহীত খাবার আর মূল পাকস্থলীতে যাইতে পারে না। সরাসরি পাউচ ও নতুন বানানো ক্ষুদ্রান্ত্রের লাইনে যায়। পাকস্থলী কিন্তু তখনো হজমী জ্যুইস প্রস্তুত করতে থাকে। পাকস্থলীতে লাগানো ক্ষুদ্রান্ত্র আরেকটু নিচে গিয়া আবার জোড়া লাগায়া দেওয়া হয় এতে পাকস্থলীরে হজম সহায়ক জ্যুইস ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করতে পারে আর খাবার হজম করতে অসুবিধা হয় না, যেহেতু এই পদ্ধতিতে ক্ষুদ্রান্তের একটা অংশ বাই পাস করা হয় তাই কম খাদ্যপ্রান ও ক্যালরী হজম হয় এইটার গ্যাস্ট্রিক বাইপাস সার্জারীও বলে।

• ল্যাপ্রোস্কোপিক এ্যাডজাস্টেবল গ্যাস্ট্রিক ব্যান্ডিং( Laparoscopic Adjustable Gastric Banding) এই পদ্ধতিতে রাবার ব্যান্ডের মত একটা ইনফ্ল্যাটেবল অর্থাৎ চাইলে তারে সম্প্রসারন করা যায় এমন একটা রিং এর মত দেখতে বেলুন দিয়া পাকস্থলীর উপরে দিকে পরাইয়া দেওয়া হয়। যাতে পাকস্থলীর আকার ইচ্ছা মত ছোট বড় করা যায়। এতে ব্যান্ড যেইখানে লাগানো হয় তার উপরী ভাগে একটা পাউচ বা পকেট বা পোটলা সৃষ্টি হয়, আর পেটের বাকী অংশে খাবার ঢুকতে ছোট একটা গেট/দরজা/ পোর্ট (port) তৈরী হয়। যা বাইরে থাইকা নিয়ন্ত্রন করা যায়।

পেটের চামড়ার নিচে এরপর একটা পোর্ট তৈরী করা হয়। সেই পোর্ট থাইকা ব্যান্ড পর্যন্ত একটা টিউব দিয়া কানেকটেড থাকে। পোর্ট আর টিউবের মাধ্যমে ব্যান্ডে তরল পদার্থ ভইরা অথবা বাইর কইরা নিয়া ব্যান্ডের আকার সাথে সাথে বদলানো যায়। গ্যাস্ট্রিক ব্যান্ড পাকস্থলীর আকার ছোট করতে পারে কিন্তু তাতে খাবারের থাইকা ক্যালরী আর নিউট্রিয়েন্ট শোষন কমাইতে পারে না, এই সার্জারীতে কাম হইলে ডাক্তার মাম্মা ব্যান্ড রিমুভ করতে পারে আর শরীর আগের অবস্থায় ফিরা যাইতে পারে। আম্রিকার FDA ( ফুড এ্যান্ড ড্রাগ এ্যাডমিনিস্ট্রেশন অথরিটি) যাদের বি এম আই ৩০ এবং অন্তত পক্ষে স্থুলত্ব সম্পর্কিত আরেকটা অসুখ আছে,মানে হার্ট ডিজিজ ও ডায়াবেটিস তাদের বেলায় এই পদ্ধতির পরামর্শ দেয়।

• স্লিভ গ্যাস্ট্রেক্টমিঃ স্লিভ (Sleeve Gastrectomy) তে তোমার পাকস্থলীর একাংশ কাইটা শরীর থাইকা আলাদা কইরা ফেইলা দেওয়া হয়। রইয়া যাওয়া কলা আকৃতির ও সাইজের পাকস্থলীর অংশ দিয়া একটা টিউবের মত গঠন দেওয়া হয় আর স্ট্যাপলার দিয়া আটাকায়া দেওয়া হয়, ছোট পাকস্থলী আগের মত খাবার ধারণ করতে পারে না। আর ক্ষুধা উদ্রেককারী হরমোন ‘ঘ্রেলিন’ Ghrelin উৎপাদন ও কম করে। তার মানে তোমার খাইতে ইচ্ছা কম হয়, তোমার হজম কম হয়, যদিও স্লিভ গ্যাস্টেক্টমিতে ক্যালরী শোষন কমে না। এইটারে ভার্টিক্যাল স্লিভ গ্যাস্টেক্টমিও Vertical Sleeve Gastrectomy কয়। একবার এই সার্জারী করলে আর আগের জায়গায় ফেরত আনা যায় না। কারণ এই পদ্ধতিতে পাকস্থলীর অংশবিশেষ কাইটা বাদ দেওয়া হয়।

• বাইলিওপ্যাঙ্ক্রেয়াটিক ডাইভেরসন উইথ ড্যুয়োডেনাল সুইচঃ Bilio-pancreatic Diversion with Duodenal Switch স্লিভ গ্যাস্ট্রেক্টমির মত পাকস্থলী কাইটা বাদ দেওয়ার পরে অন্ত্রের প্রথমাংশের যেই ভালব (ড্যুওডেনাম) টি খাবার নিয়ন্ত্রন করে তা রাইখা দেওয়া হয়। তারপরে সার্জন মাম্মায় অন্ত্রের মধ্যাংশ বন্ধ কইরা শেষাংশ সরাসরি ড্যুওডেনামের সাথে জোড়া লাগাইয়া দেয়। এইটারে ড্যুওডেনাম (Duodenum) সুইচ কয়।

আলাদা কইরা ফেলা অন্ত্র ফেইলা দেওয়া হয় না বরং তা ইন্টেস্টিনের শেষাংশে আবার জোড়া লাগাইয়া দেওয়া হয়। এতে পিত্তের বাইল (Bile) আর প্যাঙ্ক্রিয়াসে (Pancreas) উৎপাদিত হজমি জ্যুইস (Digestive Juice) ক্ষুদ্রান্তের সেই অংশেই থাকে এইটারে কয় বিলিওপাংক্রিয়াটিক ডাইভারশন।

এই পদ্ধতিতে তোমার ওজন কমবো ফর সিওর কিন্তু এইটাই ডাক্তার মাম্মারা করতে চায় না কারণ এইটাতেই সার্জারী সম্পর্কিত জটিলতা বেশী দেখা যায়, ভিটামিন, মিনারেলস, আর প্রোটিন জমা রাখতে পারে না শরীর।

এইবার আসলি কথা কও মাম্মা ওজন কতটা কমবো! ‘কুটি টাকার কাবিন’ এরররররর কোয়েশ্চেন!

ব্যরিয়াট্রিক সার্জারীর পরে কতটুক ওজন কমবো পুরাই নির্ভর করে তোমার শরীরের ধরণ, আর কি ধরণের সার্জারী করা হইছে আর সার্জারীর পরে তোমার লাইফ স্টাইল এর উপরে। অস্ত্রপোচারের পরে তিন বছর পর্যবেক্ষনের পরে দেখা গেছে যাদের গ্যাস্ট্রিক ব্যান্ড সার্জারী করা হইছে তাদের গড়ে ৪৫ পাউন্ড ওজন কমছে। আর যারা গ্যাস্ট্রিক বাই পাস করছে তারে ৯০ পাউন্ড কমাইতে পারছে। বেশীর ভাগ লোকই আবার ওজন বাড়াইছে কিন্তু সেই বাড়তির হার ঘাটতির চাইতে কম।

ব্যারিয়াট্রিক সার্জারী ফুলপ্রুফ সমাধান না। যেকোন সার্জারীর মত এরও জটিলতা আছে। ১/% মৃত্যু হার আছে মানে প্রতি একহাজার লোকের অপারেশনে ১০ লোক মারা যায়, ২০% লোকের আবার সার্জারী করা লাগে প্রথম সার্জারীর জটিলতা দূর করতে। যেমন এ্যাবডোমিনাল হার্নিয়া। যেহেতু ক্ষুদ্রান্ত্র ছোট কইরা ফেলা হয় আর খাবার যথাযথ শোষিত হইতে পারে না তাই প্রায় ৩০% রোগী নিউট্রেশনাল ডেফিসিয়েন্সীতে ভোগে । যেমন এ্যনিমিয়া, অস্টিওপেরসিস।

তারপরে আছে লাইফস্টাইল পরিবর্তন। খাবার বেশী খাওয়া যায় না, তাই বারবার অল্প পরিমানে খাওয়া লাগে, উচ্চ খাদ্যপ্রাণ সম্পন্ন খাবার খাওয়া লাগে, তার সাথে ভিটামিন আর মিনারেলস খাওয়া লাগে এইসবের স্বল্পতা দূর করার জন্য। উচ্চ খাদ্যমান সম্পন্ন খাবারেরে তেল, চর্বি ও চিনি গ্রহনের ফলে আর পাকস্থলীর সাইজ ছোট হওয়ার ফলে তার সেনসর খাবার রিজেক্ট করে মানে ডাম্পিং করে, বমি, শীত লাগা, ঘাম হওয়ার মত অনূভূতি হয়।

কিন্তু ড্রাস্টিক রেজাল্ট রোগীদের আশাব্যাঞ্জক করে। ৭৫% ক্ষেত্রেই ব্যারিয়াট্রিক সার্জারী সাফল্য পায় যেখানে অন্যান্য পদ্ধতি মার খাইয়া গেছে।

“It’s clear that non-operative treatment doesn’t work for severely obese in this group the failure rate of dieting approaches 100%” – Robert Brolin, MD

গড়ে একজন স্থুল ব্যাক্তি তার শরীরের ১০% ওজন কমাইতে পারেন আর তা একজন ৩০০ পাউন্ড এর ব্যক্তি হইলে ৩০ পাউন্ড, চোখে পড়ার মত। এইটা তার জন্য মটিভেশনাল ও হইতে পারে।

“Compare bariatric surgery to dieting, and it’s no contest”। – John Foreyt, Psychologist, Baylor College of medicine in Houston

এখনো লং টার্ম রিসার্চের রেজাল্ট পাওয়া যায় নাই কারন এই সার্জারীও নতুন পরিচিতি পাইছে। গবেষনা চলছে। এ্যাকিউট কেইসের একটা কার্য্যকর আপাতঃ সমাধানতো পাওয়া গেছে।

এইটা ওজন কমানের সর্টকাট না।, জীবন এর ‘বোঝা’ কমানের একটা ব্যবস্থা। ওবিসিটি হইতাছে মাম্মা আধুনিক জীবন ব্যবস্থা বা লাইফস্টাইলের বাই প্রডাক্ট। একটা মোটা চাইনিজ দেখাও একটা মোটা গায়ের মানুষ দেখাও। জীবনযাপনের স্টাইলের সাথে ওবিসিটির হার নির্ভর করে। ডাক্তার মাম্মারা সব সম্ভাব্য পদ্ধতিতে সাফল্য না পাইলে আর কোন উপায় না দেইখা এইটা সাজেস্ট করেন। কানাডায় চিকিৎসা ব্যবস্থা বিনাপয়সায় হয়, কিন্তু এইটারে “ঐচ্ছিক/অপসনাল” ক্যাটাগরীতে রাখা হইছে, এই অপারেশন করাইতে চাইলে ট্যাকের কড়ি গুনতে হয়!

নিউট্রেশনিস্টের কাছে যাও > নিজের বি এম আই মাপ > সুস্থ্যভাবে তোমার দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য কতটুক খাবার /ক্যালরী দরকার জানো > ক্যালরী মাইপ্যা খাও (যদি দরকার ১২০০ খাইবা ১০০০) > নড়াচড়া কর/লাইফস্টাইল বদলাও > কাটাকুটি থাইকা বাঁচো।
তথ্যসুত্রঃ আমার বইন ডাক্তার নাজমা রশীদ
www.webmd.com/diet/obisity

www.mayoclinic.org

www.diabetis.ca/diabetis_and_you

image_print
FavoriteLoadingপ্রিয় পোস্টের তালিকায় নিন।

About The Author

মন্তব্য করুন