মঙ্গলবার, জুলাই ১৭, ২০১৮

বন্ধ্যাত্ব – দশ কারণ

বন্ধ্যাত্ব – দশ কারণ

অতন্ত্য স্পর্শকাতর বিষয় মা হওয়া। আর মা না হইতে পারা তার চাইতে বেশী স্পর্শকাতর! ইনফার্টিলিটি Infertility বা বন্ধ্যাত্ব নির্নীত হইলেই একজন মেয়ের, একটা পরিবারের আশা ভরশা সব চুরমার হইয়া যায়। এই একটা বিষয়ে নির্দ্বিধায় বলায় যায়, নারী পুরুষ সমান ভাবে ভূমিকা রাখে আর অল্পশিক্ষিত, কুশিক্ষিত সমাজ আমাদের মত দেশে দোষ পুরাটাই মেয়ের উপরে বর্তায়।

‘তুমি বাঁজা’ এই শব্দ দুইটা যে কত ভয়ঙ্কর একমাত্র ভূক্তভোগীই জানে।দুনিয়ার প্রতি ছয় জোড়া স্বামীস্ত্রীর (অথবা যারা সন্তান জন্ম দিতে চাইতাছে) মধ্যে এক জনের এই ইনফার্টিলিটি সমস্যা আছে। মেয়েদের ইনফার্টিলিটি মোট ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্বের ৫০%।

উক্কে সামাজিক ব্যবস্থার দিকে না যায়া, দেখা যাক ‘টপ টেন’ কারন কেন এই ইনফার্টিলিটি বা অনুর্বরতা? এটা কি জমির দোষ না বীজের দোষ! রূপক অর্থে কইলাম, মেয়ে যদি জমি দেয় তাইলে তাতে বীজ দেয় পুরুষ, জমিতে বীজ বপণ করলেই চারা গাছ জন্মায়, এখন জমি এবং বীজ যে কোন একটা বা উভয়ের দোষ থাকতে পারে যার জন্য চারা গাছ জন্মায় না!

বন্ধ্যাত্ব দুই ভাগে ভাগ করা হইছে, ‘প্রাইমারী ইনফার্টিলিটি’ (Primary Infertility) বা প্রাথমিক বন্ধ্যাত্বঃ নারী পুরুষ এর অরক্ষিত যৌণাচারের পরেও যদি নারী গর্ভধারন না করতে পারে।

‘সেকেন্ডারী ইনফার্টিলিটি’ (Secondary Infertility) বা দ্বিতীয় পর্যায়ের বন্ধ্যাত্বঃ যে ক্ষেত্রে নারীর আগে এক বা একাধিক সন্তান আছে কিন্তু এখন আর গর্ভধারন করতাছে না।

বিশেষজ্ঞ্য ডাক্তার মাম্মালোগ নিচে দশটা প্রধান কারণ হিসাবে চিহ্নিত করছেন।

* ‘অভ্যুলেশন ডিজঅর্ডার’ (Ovulation Disorder) এক বা একাধিক কারণ থাকতে পারে যার জন্য নারীর অভ্যুলেশন ডিজঅর্ডার বা ডিম্বচক্রের বিন্যাস ব্যহত হইতে পারে। শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্স বা ভারসাম্য তার মধ্যে অন্যতম। মেয়ের মাসিকচক্র সুষ্ঠ নিয়ন্ত্রনে অনেক ছোট ছোট কারণ ভুমিকা রাখে, যখন মস্তিস্কের পিট্যুইটারী গ্ল্যান্ড (Pituitary Gland), ডিম্বাশয়, ও ফলিক্যল (Follicle) যথাযথ যোগাযোগ বা ইনসিংক হয় না তখন নারী অভ্যুলেট করে না তার ডিম্ব ছাড়া পায় না জরায়ুতে যাওয়ার জন্য।

দূর্বল ডিম্বের স্বাস্থ্য, শরীরের এক বা একাধিক এ্যান্ডোক্রিন গ্ল্যান্ডের সমস্যা, অপুস্টি, স্ট্রেস/মানসিক চাপ, জেনোহরমোন (Xeno-hormone), অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন, শরীরের কম ওজন, স্থূলত্ব, লম্বা সময় ধইরা জন্মনিয়ন্ত্রেনের জন্য হরমোন সম্বলিত অষুধ সেবন, জেনেটিক প্রিডিস্পোজিশন (Genetic Predisposition) এর কারণে হরমোনাল ব্যালেন্স এর সমস্যা হইতে পারে, যার জন্য অভ্যুলেশন হয় না।

* ‘লো স্পার্ম কাউন্ট’ (Low Sperm Count) এইটা পুরুষ মাম্মাদের কেইস! ডাক্তার মাম্মারা বলেন প্রতি এক মিলিলিটারে যদি ২০মিলিয়ন এর চাইতে কম শুক্রাণূ থাকে তাইলে তারে লো স্পার্ম কাউন্ট কওয়া হইব। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ধূমপান, এ্যাল্কোহল গ্রহন, অপুস্টিকর খাবার গ্রহন, মানসিক চাপ, দূষিত বহিরাবনের বসবাস, টাইট প্যান্ট ও সিন্থেটিক আন্ডারওয়ার পরা, শরীরে এ্যান্টিস্পার্ম এ্যন্টিবডি তৈরী হওয়া, যননাংগে আঘাত পাওয়া, অসুস্থতা যেমন ক্যান্সারের জন্য কেমিওথেরাপী গ্রহন করা লো স্পার্ম কাউন্টের কারন হইতে পারে।

* ‘শুক্রানূর খারাপ স্বাস্থ্যঃ’ এল্লা বুঝ! খালি চোক্ষে দেখা যায় না তার স্বাস্থ্যের হালও বাইর কইরা ফালাইছে ডাক্তার মাম্মালোগ! স্পার্ম মোটিলিটি (Sperm Motility)(শুক্রানূর চলাচল- শুক্রাণূর একটা লেজ থাকে যেইটারে দূলাইয়া বা কাঁপাইয়া সে এদিক থাইকা অইদিক যায়(!!!) এইটারে টেইল হুইপ (Tail Whip) কয় হাঃ হাঃ হাঃ) * আর মর্ফোলজি (Morphology) (শুক্রের ডিএনএ, সেইপ ও সঠিক অবয়ব) ২৫% ইনফার্টিলিটির কারণ। এই শুক্রাণুর দুর্বল স্বাস্থ্য আর দৌড়াদৌড়ি করতে না পারার কারণ লো স্পার্ম কাউন্টের মতই, তবে যাদের লো স্পার্ম কাউন্ট আছে তাদের সবারই লো মোটালিটি ভাবার কারন নাই। এই দুইটা দুইদিকেই খাটে।

* ‘ব্লকড ফ্যালোপিয়ান টিউব Blocked Fallopian Tube’ এইটা মাইয়া মাম্মালোগের বিষয়!এইটা হইল একটা ‘হাইওয়ে’ ‘ওভারী’ Ovary (ডিম্বাশয়) থাইকা ‘ওভুলেশন’ Ovulation (ডিম্বস্ফুটন) এর পরে ‘ওভা’ Ova (ডিম) এই রাস্তা ধইরা বন্ধুর (শুক্রাণূ) সাথে ইউটেরাসে Uterus (জরায়ু) মিলিত হইতে ‘হাইট্যা’ যায়! যদি এই রাস্তায় (ফ্যালোপিয়ান টিউব) কোন কেচাল (ব্লক) থাকে তাইলে এই যাত্রা বাধা প্রাপ্ত হয় আর ইনফার্টিলিটির কারণ হইতে পারে।

ব্লকড ফ্যালোপিয়ান টিউবের কারণ হিসাবে পিআইডি বা (Pelvic Inflammatory Disease) পেল্ভিক ইনফ্ল্যামাটেরী ডিজিজ, টিউবে পলিপ, প্রায়ই এসটিডি (STD) বা সেক্সস্যুয়ালী ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (Sexually Transmitted Disease), এন্ডমেট্রিওসিস (Endometriosis), ইউটেরিন ফাইব্রোসিস (Uterine Fibrosis), ও এক্টোপিক প্রেগন্যান্সীকে (Ectopic Pregnancy) কারন হিসাবে ধরা হয়।
২৫% ক্ষেত্রে ব্লকড ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী।

* ‘এ্যন্ডোমেট্রিওসিস’ (Endometriosis) প্রতি মাসেই জরায়ুতে এ্যন্ডোমেট্রিয়াম লাইনিং (Endometrium Lining) জন্মায় যাতে ডিম্বাশয় থাইকা বাইর হইয়া ফ্যালোপিয়ান টিউব দিয়া আসা ‘ওভা’ জরায়ুতে আইসা স্থিত হইতে পারে। এই এ্যান্ডোমেট্রিয়াম লাইনিং অনেকটা আঠা লাগানো দেওয়ালের কাম করে যাতে ডিম আইসা চিপকাইয়া যায় আর জীবন শুরু হয়, যদি ডিম আইসা শুক্রানূর দেখা না পায় তাইলে এই এ্যান্ডোমেট্রিয়াম লাইনিং মাসিক ঋতুচক্রের সাথে নির্গত হইয়া যায়।

যদি কোন কারণ বশতঃ এমনটা না ঘটে আর ঋতুচক্রের সময় এই এ্যান্ডোমেট্রিয়াম লাইনিং সম্পূর্ণ ভাবে বহিস্কৃত না হয় তাইলে এই লাইনিং শরীরের ভিতরের জরায়ু ছাড়া অন্য অংশে ‘আটকায়’। আর পরবর্তীতে যখন জরায়ূ স্বাভাবিক রক্তপাত ঘটায় তখন এই লাইনিং ও রক্তপাত ঘটায় এইটাই এ্যন্ডোমেট্রিওসিস কয়। আম্রিকান ডাক্তার মাম্মারা কয় ৩৫- ৫০% বন্ধ্যাত্বের জন্য এই এ্যন্ডোমেট্রিওসিস দায়ী।

* ‘পিসিও – পলিসিস্টিক ওভারী সিন্ড্রোম’ (PCO – Polycystic Ovary Syndrome) এইটা দেশে খুব শোনা যায়, মহিলা মহলে আলোচিত হওয়ায় অন্তত শহুরে নারী মাম্মার এইটা সমন্ধে কমবেশী জানে। তবে প্রত্যেক পিসিও ভূক্তভোগীর ভিন্ন উপসর্গ থাকে তাই এইটার ঢালাও চিকিৎসা সম্ভব না ডায়াগনোজ আর চিকিৎসা কঠিন হইয়া যায়।

পিসিও হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স থাইকা হয়। হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স হইলে ঋতুচক্রে গোলমাল, ওজন বাইড়া যাওয়া, ইন্স্যুলিন রেজিস্ট্যান্স, ত্বকে সমস্যা, ওভারীতে সিস্ট, ও হিরসুটিজম ( Hirsutism) (শরীরে অতিরিক্ত লোম গজানো বা চুল ও লোম পইড়া যাওয়া)হইতে পারে। যেই মেয়েদের পিসিও নির্নীত হইছে তাদের সবারই একই অভিযোগ থাকে না। জন্মদানক্ষম ৪%-১৮% মেয়েদের এই পিসিও সমস্যা দেখা যায়।

‘দূর্বল ডিমের স্বাস্থ্যঃ’ এইবার মেয়ে মাম্মাদের বিষয়! পুরুষের শুক্রাণুর স্বাস্থ্য যেমন খারাপ থাকতে পারে তেমনী মেয়েদের ‘ডিম্ব’র স্বাস্থ্যও খারাপ থাকতে পারে। পুরুষ মাম্মাদের শুক্রাণুর ঝামেলা যেই যেই কারনে, মেয়েদেরও প্রায় একই কারণে তাদের উৎপাদিত ডিমের স্বাস্থ্য খারাপ থাকে। পরিবেশগত দুষণ, খাবারে হরমোন, মানসিক চাপ, জীবনযাত্রা আর সর্বোপরী এজিং বা বয়োবৃদ্ধি অন্যতম কারন।

মেয়েদের বয়স ৪০ হবার আগে যদি জরায়ূতে লো ফ্যলিকল কাউন্ট (Low Follicle Count)পুওর ওভারিয়ান রিজার্ভ (Poor Ovarian Reserve) দুর্বল স্বাস্থ্যের ডিম পাওয়া যায় তাইলে প্রিম্যাচিউর ওভারিয়ান ফেইল্যুর (Premature Ovarian Failure) (POF) এর কারন হইতে পারে।

এইটা ডাক্তার মাম্মাদের সাথে দ্রুত জরুরী ভিত্তিতে আলাপ করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ধূমপান, এ্যাল্কোহল গ্রহন, হরমোনাল ব্যালেন্স, অপুস্টিকর খাবার গ্রহন, মানসিক চাপ, দূষিত বাতাবরনে বসবাস, জেনেটিক প্রিডিস্পোজিশন, যননাংগে আঘাত পাওয়া, অসুস্থতা যেমন ক্যান্সারের জন্য কেমিওথেরাপী গ্রহন করা তার সাথে অটো ইম্যিউন ডিজিজ ও স্বাভাবিক বয়োবৃদ্ধি মেয়েদের বেলায় দূর্বল স্বাস্থ্যের ডিমের কারণ হইতে পারে।

* ‘এ্যান্টি-স্পার্ম এ্যান্টিবডি’ (Anti-Sperm Antibodies) এইটা ব্যাটাচ্ছেলে মাম্মাদের! কোন কোন মাম্মাদের বেলায় বীর্য (Semen ) শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইম্যিউন সিস্টেমরে উত্তেজিত করে। শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তার সহজাত নিয়মে বীর্যে থাকা শুক্রাণূ হত্যায় নাইমা যায়, তখন তারে কাউন্টার করার জন্য এ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয়; আর এই এ্যান্টিবডির সংখ্যা বেশী হইলে শুক্রাণূ দৌড়াইয়া গিয়া ডিম্বানুতে জায়গা নিতে পারে না। নিষিক্ত করতে পারে না ডিম্বানুরে। এ্যন্টিস্পার্ম এ্যান্টিবডি শুক্রাণুরে ক্ষতিগ্রস্তও করে যার ফলে মিসক্যারেজ (Miscarriage) হয়।

একজন পুরুষ মানুষের শরীর এ্যন্টিস্পার্ম এ্যান্টিবডি প্রস্তুত করতে পারে যখন তা শরীরস্থিত ইম্যিউন সিস্টেমের কোষের সংস্পর্শে আসে। এইটা হইতে পারে যদি পুরুষের অন্ডকোষ আঘাত প্রাপ্ত হয়, বায়োপসি (Biopsy), ভ্যাসেক্টমি (Vasectomy) অপারেশনের পরে, অথবা প্রস্টেট গ্ল্যান্ডে (Prostate Gland ) ইনফেকশনের পরে।

অন্ডকোষ স্পার্মরে ইম্যিউন সেল থাইকা প্রতিরক্ষা দেয়, যখন অন্ডকোষ আঘাত প্রাপ্ত হয় তখন আর সে এই ‘অভয়ারন্য’ দিতে পারে না ৭০% পুরুষ মাম্মাদের ভ্যাসেক্টমী (বন্ধ্যাকরন) অপারেশনের পরে শরীরে এ্যন্টিস্পার্ম এ্যান্টিবডি তৈরী করে।

আবার কোন কোন মেয়ের তার সংগীর শুক্রানূতে এ্যালার্জীও থাকতে পারে! সেইক্ষেত্রে মেয়ের শরীরে এ্যান্টিবডি তৈরী হয় আর শুক্রাণূরে আক্রমন করে। এর ফলে নারী যোনী দেওয়াল এর টিস্যু রিএ্যাক্ট করে পুরুষের বীর্যের, তাতে র‍্যাস চুলকানো, ফুলে যাওয়া অথবা যন্ত্রনাদায়ক সম্ভোগ* হইতে পারে।

* ‘ভ্যাস ডেফ্রের্ন্স ব্লকেজ’ (Vas Deferens Blockage): এইটা ব্যাটাচ্ছেলেদের! এইটারে এ্যপিডিডিমিস (Epididymis) ও কয়। অন্ডকোষ থাইকা যেই টিউব দিয়া পরিপক্ক শুক্রাণূ যায় সেইটারে ভাস ডেফ্রেন্স কয়, অন্ডকোষের ভ্যেরিকোসিল (Varicocele) ভ্যেরিকোস ভেইন (Varicose Vein) এই ব্লকেজের জন্য দায়ী। গনোরিয়া (Gonorrhea), ক্ল্যামেইডিয়া (Chlamydia) জাতীয় সেক্সউয়ালী ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (STD) ও এর কারন হইতে পারে। ভ্যেরিকোসিল সাধারনতঃ সার্জারী কইরা ঠিক করা হয়। যেকোন যৌণরোগ হইলে তৎক্ষণাত চিকিৎসা গ্রহন করা উচিত নাইলে প্রজননতন্ত্রের সমস্যা হইতে পারে।

* কম্বিনেশন ইনফার্টিলিটি (Combination Infertility): এইটা আসলে পুরুষ ও মহিলা দুইজনের এক বা একাধিক কারণ দেখা গেলে বলা হয়। এইটা বেশ কঠিন অবস্থা, প্রায় ২০%-৩০% ক্ষেত্রে এই কারনে বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়। তবে ঘাবড়ান্টিস নাই, দুনিয়া অনেক আগাইয়া গেছে, নয়া নয়া গবেষনা হইছে আর হইতাছে।

এর পরে রইয়া যায় আনএক্সপ্লেইন্ড ইনফার্টিলিটি Unexplained Infertility! ডাক্তার মাম্মারা এইখানে আইস্যা আটকা পরে, নারী পুরুষ দুইজনের তাবৎ পরীক্ষা নিরীক্ষার পরেও প্রায় ১৫% ক্ষেত্রে এই আনএক্সপ্লেইন্ড ইনফার্টিলিটি দেখা দেয়, কোন সুনির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করা যায় না কেন এই বন্ধ্যাত্ব! তখন দেখা যায় সবাই অল্টারনেটিভ মেডিসিন বা বিকল্পধারা বা ন্যাচেরোপ্যাথীর স্মরনাপন্ন হয়, ন্যাচেরোপ্যাথীতে শরীরকে ব্যালেন্স এ আনা হয় দাবী করা হয়। যাতে গর্ভধারনের অনূকুল পরিবেশ তৈরী হয়।

*** উক্কে যথেস্ট ডর দেখাইছি, এইবার কি করা যায়? পয়লা হইল স্বামী অথবা স্ত্রীর প্রতি অঙ্গুলি নির্দেশ করা বন্ধ কর, তুমি এখনো জানো না আসলে কার কি সমস্যা? ধৈর্য্য ধর, চিন্তার চোটে মানসিক চাপে ভুগবা, আর তা থাইকাও ইনফার্টিলিটি হইতে পারে (উপরে ব্যাখ্যা দিছি), পুস্টিকর খাবার খাও, মুক্ত সুস্থ্য পরিবেশে বাস কর, খুশ র‍্যাহো, ধুমপান, মাদক, এ্যাল্কোহল বর্জন, ডাক্তার মাম্মার কাছে যাও, দুইজনেরই পরীক্ষা করাও, আর তার ব্যবস্থাপত্রানুসারে চল। সর্বোপরী সৃষ্টিকর্তার উপরে ভরসা রাখ।

সাহায্যকারী সূত্রঃ ডাঃ নাজমা রশীদ (আমার বইন)

image_print
FavoriteLoadingপ্রিয় পোস্টের তালিকায় নিন।

About The Author

মন্তব্য করুন