বৃহস্পতিবার, মে ২৪, ২০১৮

চিকেন পক্স

চিকেন পক্স

আইচ্ছা নামটা কে দিছিল আর কেন! মুরগী বসন্ত! ইয়ে মানে… চিকেন পক্স!!

এই বসন্ত মনে অনুরনণ না জাগাইলেও শরীরে ‘গোটা’ জাগায়! আমার খালি মনে হইতো আইচ্ছা, এইটার নাম চিকেন পক্স কেন? এইটা কি মুরগী থাইকা মানুষের শরীরে আসে? আমাগো সেই সময়ে গুগল মাম্মা আছিলো না। আর আলহামদুলিল্লাহ! এখন মনে কিছু প্রশ্ন জাগলে খালি কম্পূটারে বইসা প্রশ্নটা জিজ্ঞাসা করার অপেক্ষা! আমি জিগাইলাম এই আর্টিকেলটা লেখার আগে, যা পাইলাম এ্যামেইজিং!

চিকেন পক্স ‘ভ্যারিসেল্লা যোস্টার’ (Varicella Zoster) ভাইরাসের ডাক নাম! ১৯৯৫ সালে চিকেন পক্স এর প্রতিষেধক টিকা চালু করার আগে দুইন্যায় প্রায় ৪ কোটি লোকের প্রতি বছর চিকেন পক্স আক্রান্ত হইত আর প্রায় ১০০ লোক মারাও যাইত।

ইতালীর পালেরমো শহরের জিওভ্যান্নী ফিলিপ্পো (Giovanni Philippo) (১৫১০-১৫৮০) রে এই রোগের অফিসিয়াল পরিচিতির জন্য কৃতিত্ব দেওয়া হয়। অবশ্য তিনি এর নাম চিকেন পক্স দেন নাই তিনি এরে ‘ভ্যরিচেল্লা ভাইরাস’ নামে ডাকতেন। নাম শুইন্যাই বুঝতে পারো এইটা ইতালিয়ান নাম; এর ‘চিকেন পক্স’ নামটা ইংরেজ মাম্মাগো দেওয়া, ফরাসীরা কয় ভ্যেরিসেল্লা (Varicella), স্প্যানিশরা ভ্যেরিচেলা (Varicela) আর জার্মানরা উইন্ডপোকেন (Windpoken)!

১৬০০ শতাব্দীতে ইংরেজ ডাক্তার রিচার্ড মর্টন (Dr. Richard Morton) মাম্মা একবার এই ভ্যেরিচেল্লা যোস্টার (Vacicella Zoster) রে “ভূল ডায়াগনোজ” করলেন কইলেন, এইটা স্মল পক্স (Small Pox) এর মৃদু রূপ! দুইটা দেখতে প্রায় একই রকম, একই রকম মারাত্মক ছোঁয়াচে। প্যাচটা ওইখানেই লাগাইলেন।

১৮শ শতাব্দীর ডাক্তার স্যামুয়েল জন (Dr. Samuel Johnson) সন মাম্মা বললেন যেহেতু এইটা স্মল পক্স বা গুটি বসন্তের মৃদু রূপ তাই এইটা গুটি বসন্তের মত এত ‘ভয়ঙ্কর’ না ‘ভয়াল’ না, তার মানেই এইটা ‘চিকেন’, ইংরাজীতে ‘ভীতু’, ‘দূর্বল’ রে চিকেন তকমা দেওয়া হয়। সেই থাইকা রইয়া গেছে দূর্বল বসন্তের এই নাম!

১৭২৭ সালে চেম্বারস এন্সাইক্লোপিডিয়ায় (Chambers Encyclopedia) লেখেঃ Chicken Pox, a cutaneous disease, frequent in children, wherein the skin is covered with pustules like those of the small pox.

১৭৬৭ সালে ডাক্তার উইলিয়াম হেবারডেন (Dr. William Heberden) মাম্মায় বলেন যে চিকেন আর লায়ন মানে চিকেনপক্স আর স্মলপক্স দুইটা প্রায় একদেখতে গেলেও দুইটা ভিন্ন ‘প্রাণী’ জীবাণু! দুইটার ভাইরাস দুই ধরনের! স্মল পক্স বা গুটি বসন্তের ভাইরাসের নাম ভ্যারিওলা (Variola).

থিওরী নাম্বার টুঃ ১২শ থাইকা ১৫শ শতাব্দীতে প্রচলিত ইংরাজী ভাষায় Yicche, Icchen প্রচলিত ছিল যার মানে চুলকানো, পুরানা ইংরাজীতে চুলকানো রে Giccan কইতো (উচ্চারনটা খেয়াল কর জিক্কেন!), তাই হইতে পারে চিকেন পক্স আইছে Giccan / Yicche / Icchen / Itching” + Pox থাইকা!

থিওরী নাম্বার থ্রিঃ এই ভাইরাসের প্রকোপে শরীরে লাল লাল যে র‍্যাস দেখা দেয় তা মুরগীর ঠোকর দিলে যেমন দেখায় তার সাথে মিল আছে বইলাই এমন নাম, আবার কেউ কেউ বলেন ‘চিক পি’ (ছোলা/বুট) এর সাথে এর দৃশ্যত: মিল আছে।

উক্কে এল্লা ‘পক্স’ আইলো কই থাইক্যা!!
ইংরাজীতে ক্ষতরে পোক (POCKE) বলা হয় এইটা পোক এর প্লুর‍্যাল বা বহুবচন পোকস (POCKES) থাইকা আসছে pockes>poccs>pox!
http://www.todayifoundout.com/…/2014/04/chickenpox-got-name/

*** সংবিধিবদ্ধ সতর্কবানীঃ আমি ডাক্তার না, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞ্যতা আর ইন্টারনেট আমার ভরসা, আমার উদ্দেশ্য সচেতনতা তৈরী করা। আউলা কিছু কইয়া থাকি তাইলে ডাক্তার মাম্মালোগস একটা ধমক দিয়া শুধরাইয়া দিও।**

উক্কে নামকরনের সার্থকতা শেষ এইবার আসলি প্রসংগ!
জলবসন্ত হ্যা চিকেন পক্স এর বাংলা নাম জল বসন্ত, এই রোগে খুব চুলকানো, লালচে র‍্যাস/দানা চেহারা, মাথার তালু, বুক পিঠে বেশী আর হাত ও পায়ে কম দেখা যায়। এই দানা গুলি দ্রুত পরিস্কার তরলে পূর্ন হয়, পরে ফাইটা যায় এবং তাতে স্ক্যাব (Scab) বা মামড়ি পড়ে।

অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই ভাইরাস জণিত রোগ, ১৯৯৫ সালের আগে এই রোগের প্রতিষেধক টিকা আবিস্কার এর আগে পৃথিবীর প্রায় সব মানুষেরই তাদের বয়ঃসন্ধি কাল পৌছানোর আগে কখনো না কখনো এই রোগ আক্রমন হইছে। প্রতিষেধক আবিস্কার আর প্রয়োগের ফলে এই রোগ জনিতে হাসপাতাল টাইম উল্যেখযোগ্য ভাবে কইমা গেছে।
এখনো দেখা গেছে শিশুরাই এইরোগে আক্রান্ত হয়। প্রতিষেধক সহজ, দ্রুত, ভোগান্তি কমায়।

জলবসন্ত সাধারনতঃ ভাইরাস কর্তৃক আক্রান্ত হবার ১০ থাইকা ২১ দিন পরে শরীরে প্রকট হয়। এইটারে ইঙ্কিবিউশেন টাইম কয়। (মানে ভাইরাসটা তোমার শরীরে বাচ্চা ফুটানোর মানে তোমার প্রতিরোধ ব্যবস্থার লগে যুদ্ধ কইরা প্রকাশ হওয়ার অপেক্ষায়) আর প্রকট হবার পরে ৫ থাইকা ১০ দিন লাগে সাইরা উঠতে। গায়ে লালচে পানি পূর্ণ দানাই জলবসন্তের সাইনবোর্ড! এই সাইনবোর্ড দেখার এক দুইদিন আগেই জ্বর, খাবারে অরুচি, মাথাব্যাথা, ক্লান্ত লাগার মত সাধারন অভিযোগ দেখা যাইতে পারে।

র‍্যাস দেখা যাওয়ার পরে এইটা তিনটা ধাপে যায়ঃ

• গায়ে উঁচু উঁচু গোলাপীভ / লাল দানা দেখা দেয় যা দুই এক দিনে সারা শরীর ছড়াইয়া যায়।

• ফাইটা যাওয়ার দুই একদিন আগে সেই লাল গোটা বা দানা গুলিতে পরিস্কার তরলে পূর্ণ হয়

• ফাইটা যাওয়া গোটা গুলির মুখে মামড়ি বা স্ক্যাব জন্মায় তা শুকায় আর কয়েকদিন পরে সেই মামড়ি শরীর থাইকা খইসা পরে।
রোগ চলাকালীন সময় প্রায় প্রতিদিনই নতুন দানা দেখা দিতে পারে, আর তাই শরীরে একই সাথে এইন তিন স্টেজ দেখা যাইতে পারে। আক্রান্ত ব্যাক্তি দানা বাইর হওয়ার ৪৮ ঘন্টা আগ থাইকা মামড়ি ঝইড়া পরার সময় পর্যন্ত ছোঁয়াচে থাকে।

সাধারন সুস্থ্য বাচ্চা এইরোগে আক্রান্ত হইলে এইটা মৃদু রোগ হিসাবেই থাকে; কিন্তু যদি বাচ্চায় ইম্যিউন সিস্টেম দূর্বল থাকে তাইলে আবার এইটাই গুরুতর রূপ নিতে পারে। এই রোগ শরীরের যেকোন যায়গাতেই হইতে পারে, ইম্যিউন সিস্টেম দূর্বল থাকলে গলা, চোখ, মিউকাস মেম্ব্রেন, ইউরেথ্রা (মুত্রনালী) গুহ্যদ্বার, ও যৌণাংগে হইতে পারে, তখন ভোগান্তি গুরুতর হইব।

এই উপসর্গ দেখলে ডাক্তার মাম্মার সাথে কথা বল, আরো খেয়াল রাখ যদি:

র‍্যাস বা গোটা এক অথবা দুইচোখে দেখা দেয়।

র‍্যাস লাল টকটকে, স্পর্শকাতর, উষ্ণ লাগে; এইটা দ্বিতীয় পর্যায়ের ত্বকের ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন হইতে পারে।

র‍্যাসের সাথে মাথা ঘোরা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, শ্বাস সল্পতা (সর্টনেস অফ ব্রেথ), হাত পা নাড়াইতে অক্ষমতা, বাজে কাশি, বমি, ঘাড় শক্ত হইয়া যাওয়া (ঘাড় ঘুরাইতে অসুবিধা) অথবা জ্বর ১০২ ডিগ্রীর বেশী থাকে ।

বাড়িতে দূর্বল ইম্যিউন সিস্টেমের রোগী বা ৬ মাসের নিচের শিশু থাকলেই তা ডাক্তার মাম্মারে বলতে ভুইলো না।

ভ্যারিসেলা যোস্টার এর জীবাণূ বায়ূ বাহিত মানে বাতাসে ছড়ায়, আক্রান্ত রোগী থাইকা মুখ শ্বাস প্রশ্বাসের (হাঁচি কাশি) সাথে তা বাইর হইয়া বাতাসে মিশে আর তা সুস্থ্য মানুষের দেহে আবার মুখ ও শ্বাস প্রশ্বাসের সাথেই প্রবেশ করে। জলবসন্তের জীবাণূ সরাসরি ছোয়ায়ও ছড়ায়, তুমি যদি একটা গোটায়, ফাইটা যাওয়ায় বের হওয়া রসে, অথবা শুকনা মামড়ি বা স্ক্যাবে হাত লাগাও সেইটা থাইকা তোমার আঙ্গুলে আর তা থাইকা তোমার শরীরে জীবাণূ সংক্রামিত হইতে পারে। তোমার চিকেন পক্স বা জল বসন্তের সম্ভাবনা বেশী যদি তোমার কখনো তা না হইয়া থাকে, তুমি কখনো প্রতিষেধক গ্রহন কর নাই, বাচ্চাদের স্কুল অথবা তাদের সাথে বেশী মেলামেশা কর।

প্রতিষেধক/ভ্যাক্সিন দিলেই তোমার আর হইব না ভাবার কোন কারণ নাই, হইতে পারে তবে তার প্রকোপ কম থাকবো, উপসর্গ আর কষ্ট কম হইব দ্রুত সাইরা উঠবা।

জলবসন্ত রে ‘মাইল্ড’ মৃদু অসুখ বলা হয় তবে এইটাই মারাত্মক হইয়া উঠতে পারে অনূকূল পরিবেশে, যাদের ইম্যিউন সিস্টেম দূর্বল, আর যাদের হাইরিস্ক মানা হয় তাদের ত্বকে ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন, সফট টিশ্যু, হাড়, জোড় (জয়েন্টস) ও রক্তে পঁচন বা ‘সেপ্সিস’ (Sepsis) হইতে পারে।, পানি শুন্যতা, নিউমোনিয়া, মগযে প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন অফ দ্যা ব্রেইন বা এঙ্কেফেলাইটিস Encephalaities হইতে পারে। টক্সিক শক সিন্ড্রোম Toxic Shock Syndrome, আর যারা জলবসন্ত আক্রান্ত অবস্থায় এ্যাস্পিরিন গ্রহন করে তাদের রে’স সিন্ড্রোম Reye’s Syndrome নামের অসুস্থ্যতা দেখা দিতে পারে.

হাইরিস্ক কারা?
নবজাত শিশু, সদ্য প্রসুত শিশুর মা যার কখনো জলবসন্ত হয় নাই অথবা তার টিকা নেয় নাই

গর্ভবতী মা যার কখনো জলবসন্ত হ য় নাই অথবা টিকা নেয় নাই,

কেমোথেরাপী নেন, বা অন্য কোন রোগ যেমন এইচ আই ভি, এইডস যাদের নিজস্ব শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল।

যারা স্টেরয়েড নেয় যেমন এ্যাজমার চিকিৎসায় ব্যাবহার হয়।

বিশেষ কইরা গর্ভবতী মায়েদের অরিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মায়ের জলবসন্ত হইলে গর্ভস্থ শিশু ও তার জন্মকালে তার ওজন কম হওয়া, অন্ধত্ব, শাররীক বৈকল্য ও অংগহাণীর মত পরিস্থিতি হইতে পারে । সবচেয়ে গুরুতর যদি শিশু জন্মের সপ্তাহ খানেক আগে অথবা জন্মদানের কয়েক দিনের মধ্যে মায়ের জলবসন্ত দেখা দেয়, এতে শিশুর প্রাণহানীর মত ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

চিকেন পক্স জীবানূ কাপড়ে, বিছানার চাদরে আ খেলনায় লাইগ্যা বাঁইচা থাকতে পারে না।

যদি তুমি প্রেগন্যান্ট হও বা হবার ইচ্ছা প্রকাশ কর আর তোমার কখনোই জলবসন্ত/চিকেন পক্স হয় নাই অথবা তার টিকা নেও নাই তাইলে অবশ্যই তোমার ডাক্তার মাম্মারে জানাও।

একটা কিনলে আরেকটা ফাও সিস্টেম আছে এই অসুখে!
যদি তোমার জল বসন্ত হয় তাইলে ভবিষ্যতে তোমার আরেকটা অসুখ হইতে পারে, তার নাম শিংগেলস Shingles এই ভ্যেরিসেল্লা যোস্টার

আপাতঃ সাইরা গেলেও তোমার নার্ভ সিস্টেম থাইকা পুরা পুরি যায় না।
অনেক বছর পরে যখন অনুকূল অবস্থা পায় তা শিংগেল নামে শরীরে আবির্ভূত হয়। অত্যন্ত বেদনা দায়ক লাল টকটকে বড়বড় দানা বের হয় প্রচন্ড জ্বর থাকে। ‘শিংগেলস’ এর নিজ্স্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট আছে, ফোড়া বা ফুস্কুরি শুকাইয়া যাওয়ার পরেও ‘শিংগেলস’ র ব্যাথা যায় না, এইটারে postherapetic neuralgia কয়, আমার জানা মতে এইটা জীবাণু শরীরে ৫০ বছর ঘুমাইয়া থাইকাও আবির্ভূত হইছে দেখছি।

কানাডাতে সরকারী ভাবে যাদের বয়স ৬০ হইছে, যাদের একবার জলবসন্ত হইছিল তাদের বিনা পয়সায় শিংগেলস এর Zostavax টিকা দেয়।

বিশেষজ্ঞ্যরা মনে করেন জলবসন্তের টিকাই এই রোগের আদর্শ চিকিৎসা! যারা টিকা গ্রহন করে তাদের ৯৮% লোককেই দেখা গেছে আক্রান্ত না হইতে আর হইলে তার প্রকোপ মৃদু ছিল।

প্রতিষেধক টিকার ক্ষেত্রে শিশুদের বেলায় দুই ডোজ লাগে, প্রথম ডোজ শিশুর ১২ থাইকা ১৫ মাসের মধ্যে, আর দ্বিতীয় ডোজ ৪ থাইকা ৬ বছরের মধ্যে দিতে হয়। এইটা যখন মাপম্পস,মিজেলস রুবেলা ভ্যাক্সিন দেওয়া হয় তখন তার সাথে দেওয়া যায়। তবে দেখা গেছে কোন কোন ক্ষেত্রে ১২ থাইকা ২৩ মাস বয়সী শিশুদের বেলায় এইটার প্রয়োগে জ্বর আর খিচুনী থাকতে পারে তাই ডাক্তার মাম্মার সাথে আলাপ কইরা নিও।

যেই শিশুর ছোট বেলায় জলবসন্তের ভ্যাক্সিন নেওয়া হয় নাই কিন্তু তার বয়স ৭ থাইকা ১২ তাদেরও দুই ডোজ ভ্যাক্সিন লাগবে, একটা থাইকা আরেকটা ডোজ তিন মাসের ব্যবধানে। আর ১২ বছরের বেশী হইলে দুই ডোজ কিন্তু তা ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে।

আর যারা সেই সীমা পার হইয়া গেছ! তাদেরও দুই ডোজ ৪ থাইকা ৮ সপ্তাহ ব্যবধানে। যদি তোমার মনে না থাকে তাইলে একটা রক্ত পরীক্ষা করলেই বুঝতে পারবা তোমার শরীরে প্রতিরোধক ব্যবস্থা আছে কিনা।

একবার চিকেন পক্স হয় তাইলে আর ভ্যাক্সিন নেওয়ার দরকার নাই। কারন শরীর নিজেই তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গইড়া তুলে, আবার চিকেন পক্স হইতে পারে কিন্তু তা মৃদু হয়। চিকেন পক্স না হইলেও ভবিষ্যতে এই থাইকা শিংগেলস হইতে পারে তাই ডাক্তার মাম্মার সাথে কথা বল।

*** সংবিধিবদ্ধ সতর্কবানীঃ আমি ডাক্তার না, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞ্যতা আর ইন্টারনেট আমার ভরসা, আমার উদ্দেশ্য সচেতনতা তৈরী করা। আউলা কিছু কইয়া থাকি তাইলে ডাক্তার মাম্মালোগ একটা ধমক দিয়া শুধরাইয়া দিও।**

সবাই সুস্থ্য থাক।

Dr. Nazma Rashid Sraboni
www.mayoclinic.com
www.cdc.com
www.caringforkids.cps.ca/handouts/chickenpox

image_print
FavoriteLoadingপ্রিয় পোস্টের তালিকায় নিন।

About The Author

মন্তব্য করুন