শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯

লো ব্লাড প্রেসার

লো ব্লাড প্রেসার

আমাদের সবারই ব্লাড প্রেসার আছে। রক্ত প্রবাহে ধমনীর প্রাচীরে যে চাপ পড়ে তাকে ব্লাড প্রেসার বলে। সংক্ষেপে –বি পি। বাংলা ভাষায় রক্তচাপ বলা হয়।

তবে প্রশ্ন হল তা স্বাভাবিক ,উচ্চ না নিম্ন রক্ত চাপ। সাধারণভাবে বিপি ১৪০/৯০ এবং ৯০/৬০ মিলি মিটার অব মারকারির মধ্যে থাকে। ব্লাড প্রেসার দুইটা মাপে লেখা হয় ,যেমন ১২০/৮০,প্রথমটাকে সিস্টলিক এবং দ্বিতীয়টাকে ডায়াস্টলিক প্রেসার বলে।

যখন বিপি ৯০/৬০ এর নীচে চলে আসে তখন লো ব্লাড প্রেসার বলা হয়। সাধারতঃ এ প্রেসারে কোন সমস্যা তৈরি করেনা, তাই কোন চিকিৎসার বা উদ্বেগের প্রয়োজন নেই। তবে অস্বাভাবিক ভাবে কমলে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা দেয়। যেহেতু এ অবস্থায় ব্রেন কিডনি সহ অন্যান্য ভাইটাল অরগানে রক্ত যাওয়া কমে যায়, সেহেতু অরগান অনুযায়ী সমস্যা দেখা দেয়।

সমস্যাঃ

অনেক ধরণের সমস্যা হতে পারে, যেমন- মাথা ঘুরা , চোখে কম বা ঝাপসা দেখা, বোমী বোমী ভাব হওয়া ,অল্পতে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ,দ্রুত শ্বাস নেওয়া ,শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ,ব্যালেন্স ঠিক রাখতে না পারা ,মাথা ঝিম ঝিম করা ও অজ্ঞান হওয়ার ভাব বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ,ইত্যাদি।

লো ব্লাড প্রেসারের কারনঃ

১) প্রকৃতি গত ভাবে

২) অতিরিক্ত পাতলা পায়খানা বা বেশী বেশী বোমী হয়ে ডিহাইড্রেশন হলে

৩) কোন কারণে হার্ট রেট খুব বেশী বা খুব কমে গেলে

৪) হাইপোগ্লাইসেমিয়াতে

৫) সেপ্টিসেমিয়া ও তার জটিলতায়

৬) ডায়াবেটিসের বিভিন্ন জটিলতায়

৭) হার্ট এটাক সহ অন্যান্য করোনারী সিন্ড্রমে

৮) হার্ট ফেইলিওর ও হার্টের ভাল্বে সমস্যায়

৯) এডিসনস ডিজেজে

১০) কোন কারণে প্রচুর রক্তপাত হলে

১১) এলার্জিক রিয়াকশন যেমন অ্যানাফাইল্যাক্টিক শক ও

১১) পুষ্টিকর খাবার অভাব,ইত্যাদি।

 

পরামর্শঃ

১) ধীরে ধীরে বসা বা শোওয়া থেকে দাঁড়াবেন।লম্বা সময় দাঁড়িয়ে থাকবেন না।

২) পর্যাপ্ত তরল খাবার খাবেন।খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাবেন।

৩) অল্প অল্প করে বার বার খাবেন।

৪) কখনো পায়ে সাপোর্ট স্টকিং লাগতে পারে।

৫) প্রয়োজনে কিছু ওষুধ খাওয়া লাগতে পারে।

৬) অন্যান্য রোগে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুষায়ী নির্দিষ্ট ওষুধ নির্ধারিত মাত্রায় খাবেন।

 

প্রফেসর ডাঃ এ কে এম মোখলেছুজ্জামান,

এমআরসিপি, ,কনসাল্টেন্ট-মেডিসিন,

আসগর আলী হাসপাতাল, গেন্ডারিয়া,ঢাকা।

মোবাইলঃ০১৭৮৭৬৮৩৩৩৩।

image_print
FavoriteLoadingপ্রিয় পোস্টের তালিকায় নিন।

About The Author

প্রফেঃ ডাঃ এ,কে,এম, মোখলেছুজ্জামান

এমআরসিপি, কনসালটেন্ট ইন্টারনাল মেডিসিন, আসগর আলি হাসপাতাল,গেন্ডারিয়া ।

মন্তব্য করুন