মঙ্গলবার, অক্টোবর ৮, ২০১৯

ব্রণশোধ ( LOCALISED INLAMMATION)

ব্রণশোধ ( LOCALISED INLAMMATION)

image_pdfimage_print

সুপ্রাচীন আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় শরীর পীড়াগুলিরও শ্রেনী বিন্যাস করেছেন, যেমন নাড়ীব্রণ, সদ্যোব্রণ, শরীর ব্রণ, ব্রণ শোধ প্রভৃতি। এর নামকরণও বিশেষ অর্থ- ব্যঞ্জক। এর কারন রোগগুলির সম্প্রাপ্তিও যেমন পৃথক স্থানভেদও পৃথক, আবার লক্ষণও পৃথক এবং তার চিকিৎসাও বিশেষ পার্থক্য আছে। ওইসব রোগের কোন কোনটা আগন্তুক হয়ে আসে, তার কারন হয়তো কোন ভেষজও হতে পারে। সেই সব ভেষজের একটি নামও হয়তো তার ক্রিয়া প্রকাশিকার ইঙ্গিত দিয়ে রাখা হয়েছে- যেমন ভল্লাতক, যার প্রচলিত নাম ভেলা (Semecarpus anacardium)- এর ফলের আঠা গায়ে লাগলে ঘা হয়। যেমন ব্রণঘ্নী মানে ছোট উচ্ছে- এর ডাটা পাতা বেটে লাগালে ছোট ফোড়া সেরে যায়। আবার বয়োব্রণ, গালের ব্রণও এর উপশামক।

তা যাক, আয়ুর্বেদের মতে ব্রণ (যেকোন ফোড়া) দেহের সব জায়গায় ফোড়া একই পদ্ধতিতে চিকিৎসার বিধি নেই। কোনটাকে বসাতে হয়, কোনটাকে ফাটাতে হয়, কোন- টাকে বাড়িয়ে দিয়ে তারপর তাকে সারাতে হয়। তবে সবই নির্ভর চিকিৎসকের বিচার বিবেচনার উপর। কারণ ব্রণ শোথের ভাল চিকিৎসা না করলে অরিষ্ট লক্ষন দেখা দিতে পারে, তবে সেটা পৃথক পৃথক হতে পারে, এটা যদি মর্মস্থানে পরিসর্পিত হয় এবং সেখানে শোধ হয়,তার সঙ্গে জ্বর থাকে ও হিক্কা হতে থাকে, তবেই সেটা হবে অরিষ্ট লক্ষন।

[সূত্রঃ চিরঞ্জীব বনৌষধি, ৪র্থ খণ্ড]

FavoriteLoadingপ্রিয় পোস্টের তালিকায় নিন।

About The Author

মন্তব্য করুন